জঘন্য দেখেছি আমি
হাঁসফাঁস করে জুতোর জিভের কিনারায়
ফোন বাজে
ফোন কাটে
এ দুটি ক্রিয়ার মাঝে গুঞ্জরন রাখা থাকে
কখন এমন স্পেসে থরথর করে আবেদন
যেমন আবেদন গঠন করার পর ফেরিওয়ালা লুপ্ত হয়ে যায়
নেমে আসে চাঁদের পাহাড় আর সময়ের পর্তুগীজ ঢং
জঘন্য জুড়িয়ে যায় তোমার স্পন্দনে
খেয়েপরেবাঁচার ক্লাসে যে আছে সে তোমার প্রতিমা
জুতোর গভীরে ডুবে থাকা মনোরমা
যে আমার পদাঘাত, পদক্ষেপ, দুজনেরই অবাধ বান্ধবী
এরকমই দিনের ও রাতের টুকটুকে ছোপছোপগুলি
মোহিনী বহিবে শরীরে
ক্ষীণ হলে হাঁটা
জুতো নির্জন হলে
ফাঁক হলো
শূন্য হলো দুরত্বের স্তব
যে দুরত্ব বাঘের মতো ছিল কিছু আগে
এখন তার ব্যাঘ্রগন্ধী দেহটুকু, আর পায়ের জমাট জিপসী ভেজানো ভাব
সকল মিলিয়ে যেন গূঢ় এই পদতল
মোজার প্রখর গান্ধর্ব হাসি, দ্যাখো
কতো দূর থেকে ছুটে আসছে অন্নপ্রাশনের ভাত
দেখো তার পেছনে স্বয়ং জমি, আরো পেছনে স্বয়ং স্বয়ং ধানচাষ
দৌড়ে আসছে রুপোর ঝিনুকে রাখা সামান্য সেসময়
সাবধান, যেখানে সে উল্টোবে সেই অঙ্গটি ছোট ও কোমল হয়ে যাবে
প্রতিটি যাত্রাপালার শেষে আমার পায়ের ঘ্রাণ নটরাজ হয়ে বেঘোরে ঘুমোয়
আমার জন্য বিছানার এক চিলতে উঠোনেই প্রত্যেক রাতে ভাবি
আপেলের কপালে আছে দাঁত
আমার কপালে আছে মনোরমা, যার, খুবই স্বাভাবিক, তীব্র নটরাজ পায়
আকাশের কপালে আছে অত্যন্ত তারা, ঠিক নয়
আমার ভঙ্গি হয়ে ওঠে খাটের চেয়েও গাঢ়