উপকরণের ভিড় অবলা ধ্বনিকে ডাকে স্নেহে পিছুটানে। ডাকে খোক্কস নধর দেহ সুখ। গঠন বৃন্তের ভোজে নখ কি চাদর পরিপাটি। পাক সভ্যতার শীর্ষ যে রকম হিনার সদর। “তুমি থেমে আছো আমি বিশ্বাস করি না এই হতবাক ধ্বনির আড়াল”। এই তো গঠন, মেঘ শুধু তুলো আর বন্যা দুশ্চিন্তায় গেঁথে তোলে।

জাবর প্রাবল্য। এই আচরণ স্মিতমুখ, নতচোখ ভদ্রবেশী- কলমখোরের...


ক।। বিদ্যুৎ আসবে। বছর কয়েক এই দলমোড়- এই টুকরাখাস- এই বস্তির সে’ দিক এ’ দিক দেখে গুল্ম লতায় তার
তিন তিরিক্কের চলাচল। আসবে ভাবে। লক্ষ্মণরেখার পাশে বিরোধের সমতুলে। সমাবেশ শালে বেঁটে টিন, গরু
ও খোঁটার গন্ধে, ডিভিশন যোজনায় সন্দেহে- ঠিক আসবে
টিউবয়েলে- আমের গোড়য় হাঁটু ভাঁজ আমনের মতো
কীটনাশকের ঘ্রাণে আহৃত শস্যের মতো
বেফালতু লিখে ফেলা কাটাগলা মৃত সন্তানের মতো

খ।। এখন কোথায় যাবে
                     স্বপ্ন?
এই গ্যালাপাগাসের বেডশিট
খাটো বেতের সোফায়
বোনা চাহিদার গোছানো কুরুশ
তুলনামূলক ভাবে নতুন দেরাজ
ফাঁকা দরজার পারে চালু বিদেশী মুভির ফুটনোট
খলিফার মায়াভ্রম
জলের নিক্কিতিকি কাকাতুয়া
রসিকজনের এই ভাষা উপাদেয়
এই বেঁধে ফেলা প্রাণককপিট

বেঁধে ফেলা রাত সন্ধে
দুপুরের পাড়ে
শাড়ির যতটা তারা
কেউকেটা খবরের
সরলে গড়িয়ে যাবে ফের

বেকায়দা কথা বলবে
অনুবাদকের হাতে ভায়োলিন দিয়ে
ইশারায় বলে দেব, “ও’খানে বাজাও”
তালি লিখব বাহাদুরি
ভাগ্যের
লুঠেরা নেশার...

গ।। ‘ অনেক আদর দাও’ রাত্তিরে বেজেছে বৃষ্টি
টিন চাল মরুভূমি খরসানে হেসে ওঠা
                     দু’হাত বাড়ায়
অন্ধকার ধুয়ে যায়
চেষ্টা ভেজে
চরিত্র ভেজায়

ছেলেভোলানর গালিভার থইথই
                     ইলিশ
                     আমোদে                      একাকার

আন্দিজ দেখি নি আমি
বৃষ্টি দেখি
রোজ... প্রতিদিন...

ঘ।। শ্মশান বন্ধু থেকে হরিধ্বনি ধার করে
গাঁথি পরাজয়, সারাদিন বিদ্যুত দংশানো ক্ষত
জনবিরলের রাত- এই ঘনঘোর, একা লেখা
কি লিখতে কি লিখে বসা
কান্নার দু’পাতা নামতা
ধারাপট্টি- তীব্র রিক্সা হর্ন

ভিড় আসে নির্জনতা
এখনও সওয়ার যেন দেখি

রঙ-বেরঙের ক্ষণ
ছোটো গলি
মাসকাবারির বোঝা বাঁকে

আর এক বছর গেল, যাকে বলে, চিতার আগুন থেকে তাপে

ঙ।। জল কি এনেছো? বৃষ্টি গোটারাত পার করে হ্যাঙার যতটা জামার ঠিক ততখানি বারান্দা বিন্যাসে চিরুনি মন্থন খোঁজে পথ। খোঁজে অনিবার। কাঁটার ভঙ্গিমা চিরে আলো নারকেল পাতার আড়ে জ্যামিতি কুটিল সাক্ষী। আর বিকেল পালায়।

পালায় গম্ভীর। তন্নতন্ন খবর কাগজ চা কাপ সংশয় বোঝে মনকীর্তি। বৃত্যান্ত বোঝে। আবেগের ঘন ও নরম। বিক্রীর উল্লাস দেখে কল্যাণ। ইন্দ্রদেবের কল্যাণ
                     শ্রাবণ মাসের বৃষ্টি ক্ষীন করে দূরদৃষ্টি
                                         ভাঙে বাঁধ শতেক যোজন।
                     ধনধান্য নষ্ট করে নমুনা কৌমার্য্য হরে
                                         ঝমাঝম অতীব ভোজন।।
লাগে নাকে দরশিলা। কানে পরে ন্যাকামি প্রখর। ইয়ারিঙ স্বচ্ছ তীব্র। বারদরিয়ার মেধা পাথরে পাথরে কুটে আস্তানা শেখায়। শেখায় বন্দর। লেখে মাসাধিক কাল মধ্যরাত। বেওয়ারিশ ক্ষ্যাপা ও নির্জন, হে তোমার মৃত্যু উপভোগে কত অর্থ জমা হলো? ধানাই পানাই নিলে কত?

চলছে। তুবড়ির রকমফের। বন্দুকের তৈজস। আর ক্যারিয়ারে ক্যারিয়ারে বনমালী। বানচাল সন্ধে গন্ধ দুপুরের জন্য শোক বাতলিয়ে প্রায় পোনে নয়। প্রায় প্রতিনিধি। প্রায়, ‘এটাই তো আপনাদের... নয়?’

এই যে বিদ্রূপ ধ্বনি। হপ্তা মাসে বেতার ঘোষনা। তার মর্জি ভিড়েভাড়ে বারান্দা দোতালা- ন্যাড়া ছাদ। খোশবু জড়ানো খিলি। সমস্ত শরীর কেঁপে ওঠা...

ধ্রুব। সুপরিচিতের অকপটে হুমকি বা তরিপারি- হাঁটা বা ফণার খোশামুদে, প্রসঙ্গ স্মরণে ভাবে
জাগো...

অর্জুনে কে করে অশ্রদ্ধা?

ঘরে যে ফেরার ফেরে। অবিচল থেকে যায় কান্না মধ্যরাত। কান্না হ্যালোজেন। কেমন লেখার পরে আছো লিখে আছি লিখে
মজা। শেখায় মজানো। যেন এইমাত্র যে কান্নাদৃশ্য গড়ে উঠলো এ’ দিকে আড়াল আর ও’ দিকে ছাতার মাতব্বরে;
মনসুমারির কল্যানে যাকে আগুনের মাপ দেখলো রেলিঙের উদ্ধত এড়িয়ে। নত শ্রাবণের শোকে নয়। কান্না শোক- এই
সহজের থেকে পিঠ তুলে আঙুল বোলানো- রসিকের শীতল খোরাক। কান্না ধ্বনি। কান্না উনুন, মুখ ও খাবার।
সুড়সুড়ে পিঁপড়ের খোসামদে

কান্না শুধু মনেপোড়া। কান্না শেখা; বৃকোদর, কান্না অসহায়...