সামান্যর দিকে তার রওনা হয়েছে অন্ধকার। জুড়ে আসছে ঝড়। পালাপাল ঘরের সমাধি। উঠোনের নিত্য ঝাঁটপাট। ভাঙা সিঁড়ি ছড়িয়েছে তুলনামূলকে স্রেফ ভালো। আঠার প্রবলে আছে রসভানু অমৃত সমান।
জড়ভরতের শেষে আমার তোমার লেখে মূর্খ এক সমাজ শ্রমিক...

এই যে কঠিন এ কিন্তু বোল মাত্র। কথা না শোনা ভ্রমরের প্রসঙ্গ লিখে গলা তুলে ভাবার মতো। শব্দ সেই। আসলে আজ হচ্ছে। অনেক দিন বাদে। হোক। আর একটু উঠে সিঁড়ি নিক। বারান্দা। আসতে আসতে ঘর পরিষ্কার শুরু করে দাও। বাতিল সুটকেস, ঘড়া, অদরকারির সাথে কিছুটা ভবিষ্যৎ ও আছে। সবকিছু তুলে ফেল কুলুঙ্গি, তাক আর বিছানায়। পা নামাও

ভেসে যাওয়া চটির পেছন পেছন সিঁড়ি ঘরে এসো। থই থই আরশোলা, পোষা আসবাবে দেখ ছায়া কাঁপছে আমগাছ। দেখ ভিতর কাঁপছে, হারানো সমস্ত কাঁপছে। আর বাড়ছে।

সহায় তোমাকে নিক। জলদুর্গে সেজে ওঠা দশহাত সামালে ফিরুক।

শুভেচ্ছার বাড়াবাড়ি ফোঁটাফোঁটা। রান্নাঘরে ফিরে যাও...