বৃষ্টি

সূর্যের কাছাকাছি থাকা গরম আত্মারা
বৃষ্টির মত ঝরে পড়ছে
এই বিকেলে, সংকেতে বিব্রত করে পৃথিবীর সিনাপটিক নব
ধীরে ধীরে ভিজে যাচ্ছে, পুড়ে যাচ্ছে, দৃষ্টিসীমার সব
অভ্যাসমত প্রতিদিনের টহলে ব্যস্ত প্রাচীন শবের দল
আর কাঁপছে তো কাঁপছেই
আমার, ভিতরের প্রিয় জেনানা মহল।

আবার লোডশেডিং হলে

আবার লোডশেডিং হলে
ছাইপাশ ভুলভাল হিসেবের বেহিসেবী চিন্তায় আচ্ছন্ন দুই বা ততোধিক তরুণের উচ্ছ্বাস হতাশা কিংবা ব্যর্থতার অন্তরঙ্গ কথামালায়
হেলায় হারিয়ে যাওয়া বিন্দু বিন্দু সময়কে নির্দেশ করে যে কপোত ডাইভ দিয়ে হারিয়ে গিয়েছিল কৃষ্ণ গহ্বরে
তারপর আর তন্ন তন্ন করে এখানে ওখানে সবখানে, অলিতে গলিতে, বিনম্র হলদে বাতির ইলেকট্রিক আলোয় উদ্ভাসিত দোকানপাঠে,উঁচু উঁচু বিল্ডিং-এ, রাস্তার পাশের সব ডাস্টবিনে কিংবা প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে অপরিশোধ্য ঋণের জ্বালায় জর্জরিত হাফিজ মিয়া এবং তার উত্তরাধীকারীদের বসত ভিটাসহ সম্ভব অসম্ভব সব জায়গায় এফোঁড়-ওফোঁড় করা মাইক্রোস্কোপিক চোখ দিয়ে খুঁজেও যাকে পাওয়া যায়নি
মনে রেখো হে পৃথিবীবাসী, তাকে খুঁজতে বেরোয় তার স্ত্রী সন্তানেরা
হাজার হাজার উড়ন্ত কপোত কপোতী নিরন্তর তখন ঝাঁকে ঝাঁকে ছড়িয়ে পড়ে
এখানে ওখানে
লোডশেডিং এর অন্ধকারে।