কবিতাপাঠক

নিঝুম এই রজঃশ্রাবের ভেতর
টিপে টিপে
দেখা হল জলপিচ্ছিল বাতিঘর
গোলাপগন্ধ, হেরেমখানা
একটি নরম গাছের গ্রাম।
দেখা হল তারামাছ, মৌমাছি
মো মো সুপারনোভা- সিংহদার
আর আপেল মারাইয়ের ক্ষতচিহ্ন।

একটি নিষ্পলক যোনিরেখা
তার নরম পিপুল ছাড়িয়ে
একটি মথ একটি না জন্মানোর
আকুল আর্তি- বাল্যলেখা।
তারপর ফিরে আসা
ফিরে গেল
অবসর প্রাপ্ত সেই মাদি ঘোড়াদের
আস্তাবলে। যেখানে কবির মতো
দুলছে শেষ মাঠের সহিস!

প্রথম সুচিত্রা সেন

কোথাও
একটা হারমোনিয়াম চিঠি বিলি করছে,
কোথাও হারানো সুর- কোথাও সিঁড়ি বেয়ে
ধাপে ধাপে কেঁপে ওঠা বিড়াল,
একটা জলসেবিকার মুখ-
দ্বীপ জ্বালা আর না জ্বালানোর
মাঝখানে
শীত রঙের অন্ধকার।

কোথাও
অন্ধকারে ছিটকে পড়ছে-
আপেল আর লাল চেরীদের বন।
আর
লুকনো মৃগনাভির গন্ধ পেয়ে
দৌড়ে আসছে রূপবিহ্বল, উত্তম কুমার!

হলভরা লাফিয়ে উঠছে
কাতর ছেলেদের চি হি।