###

এই ভাষার কোন ভাষান্তর নেই জেনে কার্লোস মুষড়ে পড়েন
মানুষের উদাহরনে দেহ বিযুক্ত হয়ে আবারো প্রেমে পড়ে যায়
একঘেয়ে দোষগুলি আর একঘেয়ে গুনগুলি নিম্নস্তরের জোরালো
ঝড়ের মুখে পড়ে এতটুকু পালটাতে পারে না আর! একটি শব্দের মতন-
তেমনতেমন একটি শব্দ, যাদের রক্তে প্রাচীন মাটির জলধোয়া জল
তাদের কঁকিয়ে ওঠার মধ্যে দিয়ে চিনে নেওয়া। একটি অভিব্যক্তিকে
পূর্ন একটি বাক্যের রূপে হাজির করানো- তার পরিপার্শ্ব, তার ক্যাওস
কার্লোস ভিজে বিছানায় শুয়ে সার্গেই এর কবিতা দেখে, তার ছেলে
সমস্ত অক্ষমতাকে মাথা পেতে নিয়ে বাপের বাক্যগুলোকে এ জঙ্গলের
আঁধার থেকে অন্য জঙ্গলের আঁধার চিনিয়ে দিচ্ছে। সের্গেই জানেন না
জন্তগুলো কি ভীষন আলাদা, কার্লোস টের পান, এখন এখানের ছোট্ট
গিরগিটিটি বৃষ্টিঅরন্যের জলহাওয়া পেলে কিরকম গদ্য হয়ে যায়
পোড়ামাটির তাঁত সে দুর্বোধ্যতার শরিক।

তখন প্রস্তাব আসে, এমন জন্তুদের
যাদের বদল নেই, মানুষের মতোই নিয়মতান্ত্রিক, আর মশালা যখন হাতের
মুঠোতেই্‌, এমন জন্তুদের মন খুঁজতে গিয়ে শতসহস্র মানুষী-চোখ
পরিভাষার মধ্যে তাদের রাতের ঘুম, সঙ্গমের কথা স্বপ্নে ভাবে

###

মানুষের থেকে বিচ্যুত হয়ে আমগাছের আত্মার সঙ্গে দেখা
সে ভবে ঘুরে মুকুলের আবেশ ফেরি করে। কোন জন্মে পড়া
এ সব অযৌন জনন। বঊছেলেমেয়ের প্রতি টান নেই।
এমন কেউ নেই যে জলের মধ্যে চুবিয়ে ধরে আত্মহত্যায়
সাহায্য করতে পারে। উর্ধ্বে সিঁড়ি থাকে তবু। স্নেহ এসে জমে জমে রাগ।
তার ডগায় হয়তো ঈষৎ লালরং। তার চারাকলমের গলায়
নিজের স্বরকে শুনে বেজায় মিঠে লাগে। নিজভূম এই
দক্ষিণাহাওয়ার মন্দা, গলায় ঝোলানো হাঙরের তাবিজ, পাখি তাড়ানোর
ক্যানেস্তরার শব্দে, দুপুরের তন্দ্রা ভেঙে বেড়িয়ে এসে দেখা
এ বৃদ্ধ তোমার জ্ঞাতিঠাকুর্দা, এর রক্তেও তেমন-তেমন শ্যাওলা ছিল
হাত দিয়ে বসলে অনতিপ্রৌঢ় গল্পে মিয়ানমারের কামান গর্জে
জ্ঞাতিঠাকুমার ফিলট্রামের আঁচিল ঝাপসা দেখা যায়
ঠাউর হয় পালিয়ে যাওয়ার মত ফিরে আসাও বংশদোষ