ভাষা ২

বাতাসের দিনে কোথাও কোন জল থেকে ঝরে পড়ে
বুদ্বুদ। মানুষ ও বৃক্ষের মুখোমুখি
বিজন ডালিমের ছায়া যেন কোয়ায় ফুলে ওঠে
বধিরের ভাষা

ভরাট লালের নিচে সেই চিত্রার্পিত ফল


তর্জমা

পড়ন্ত ঘড়ির উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন ব্যাধি । ফিনফিনে দুধের মতো সময় তার দু পায়ে পেঁচিয়ে দিচ্ছে সকালের গাঢ় বেহালা; গোপন বিদ্যার চাষ। সমস্ত জলপাই বনে তখন অন্ধ হাঁসেদের ডাকাডাকি। যদি কেউ নিস্তব্ধতা রুয়ে দেয় তার কালো দেয়ালের মাঝখানে। ছুতোর ও ছাতিমের গল্পকে পড়িয়ে দেয় হরিণতীব্রতা। কে যেন মহান পাথরের গায়ে ফেলে গেছে দূরাভাষ; সেই বিমর্ষ প্রতিধ্বনি থেকে বেরিয়ে পড়ছে নীল মাছ। অনঙ্গ হাইফেন, খরগোশপ্রবণ দিনে থেমে যায় বাবলা গাছের ঘ্রাণ অথচ আতরের উপমেয় নিয়ে কী গভীর ঘোড়া হেঁটে যায় দুপুরের স্নানে। সেই যে ডালিমের ছায়া, অবনত রসের ভারে ফেটে যায় তর্জমা ; হাজার বোতাম খুলে পাঠ করি ব্যাধের কিতাব তাপমান বোঁটার কুরছিতে


রুদ্রপুর ১

ছায়ার দূরত্বে মেপে
উঠে আসে পানির বোঁটা
কুয়াশা কচলে দ্যাখো
পানকৌড়ির দাগে উড়ে গ্যালো বিল
কাদার শুকনো পায়ে আমাদের গতকাল

এসো ভান করি
ভেঙে দেই স্নানের সমস্ত খেয়াল