ছা পা খা না ছা পা খা না ছা পা খা না
একটা লেখা পোঁছে যাচ্ছে

দেখছি

যাওয়ার পর ওটাকে আর দেখা যাচ্ছে না

সুতরাং লেখাটার বিষয়ে আজ কী মনে হয় তা বলা হয়ত ঠিক হবে না। ওরা লেখাটার সঙ্গে মণীন্দ্র গুপ্তর কোনো কবিতার তুলনা করেছিল (এই রে ! কী করে ধরল !!) আবার আমাকে ফোন করে পরের সংখ্যাতেও একটা লেখা চেয়েছিল। লেখাটা নাকি সমকালীন নকল কবিতার মুখোশ খুলে দিয়েছিল। আমার কাছে অবিশ্যি টেক্সটটা ছিল আমার একটা কবিতা লেখার দুর্দান্ত ইচ্ছারই প্রতিরূপ যা পৃথিবীর দুজন কবিতালেখককে কাছাকাছি নিয়ে আসে, যদিও একই কবিতা তারা কিছুতেই লিখে উঠতে পারে না

লেখার আগে
লেখার পরে
একটা লেখা কিছুতেই আমার হচ্ছে না

মানবকে তৈরি করছে না
পাখি বানানোর মিস্ত্রি
পশু বানানোর কারিগর

আমি

সাত দিনেও পৃথিবীটা লিখতে পারছি না

শুধু
ছা পা খা না
ধূ ধূ

শুধু

অসংখ্য জিভের লোভে একটা জিভ টুকরো হচ্ছে না