তখন কলেজে। সবুজ মুগ্ধতা নিয়ে একটার পর একটা নেমে আসছে মেঘ। চেঞ্জ হচ্ছে আকাশি প্রেক্ষাপট ।
ক্লাস মানে অচেনা বাড়ীর খোলামেলা ব্যাল্কনি। আর টিচার্স... রবীন্দ্র অধ্যাপক... রূপক... প্রতীক... কত উপকথা, মিথ। এও শুনতাম কে কিভাবে মদ খান, কত প্যাশন নিয়ে। এমনি একদিনে আমার বাংলার শিক্ষক বললেন –
মেয়েরা অঙ্ক পারে না, আধুনিক কবিতা বোঝে না, উচ্চাঙ্গ সংগীতের রস গ্রহণ করতে জানে না। হঠাৎ বজ্রপাত। হঠাৎ-ই পুড়ে গেলাম। আজো বহন করছি সেই ভয়ঙ্কর ক্ষত।
কিছু প্রমাণ করতে হবে কখনো মনে হয়নি।

জার্নি-র পক্ষ থেকে কবিতা বিভাগ সাজানোর দায়িত্ব পেয়ে একটা তাগিদ অনুভব করেছিলাম। দ্বিতীয় হয়ে থাকা মানুষদের নিজস্ব অনুভূতির নানা রঙ, মস্তিষ্ক ও আবেগের মিশেলে অসামান্য ড্রিবল... যা ঘটিয়েছেন এই পাতার নায়করা... পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল অঙ্ক, কবিতা, খেয়াল, ঠুমরী সব মিশে এ যেন দেওয়ান-ই-খাস ।

যাদের সাহায্য ছাড়া এই প্রয়াস অসম্পূর্ণ হত তারা হলেন অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়, অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায়। পোশাকি ধন্যবাদ না জানিয়ে চলুন দরবারে পা রাখি...