অফিসফেরত নিরাপদ একদিন নিশ্চয়ের বারান্দা থেকে অনিশ্চয়ের বেডরুমে উঁকি দিল

আপনবোধে
ভাবে ও অভাবে

কাঁটাতারে আঙুল যত নিশ্চিত
ততই দেউলে হয় অনিশ্চয়ের চিত্রকল্প
কল্পনার নীল থেকে ঝরে যায়
একান্ত সন্ধানীতারা
যাকে খুঁজতে এই সকালসন্ধে
যাকে পাওয়ার এই নাপাওয়ার কৌশল

নিরাপদ জলের ভেতর আঙুললালন করে
অথচ নিরাপত্তাবোধ
নীর নয়
নীড়ও নয়
নীরদবর্ণ এক ভাব
অভাবের পিঠে বিন্দু বিন্দু বিষাদকণা
বাষ্প হতে থাকে অস্থির মুহূর্তসকল
বৃষ্টি হবে বলেই ক্রমশ গাভীন
শব্দবৃষ্টি

নিরাপদ ঘণত্ব নিয়ে কিছুদিন রিসার্চ করেছিল
যত গাঢ় তত সমতল
পাকদণ্ডীর রহস্যসকল
এই এক সমতল
তলাতলের বিস্ময় নেই
অমসৃণ আশ্চর্য নেই
যাপনের মাত্রারা কখন বিমাতৃক
চলনের ইচ্ছেরাও এমন শিথিল
যেন কোনো স্থবির
বুড়ি ছুঁয়ে ঘুরে ঘুরে মরে
অ্যাক্সানের অভাবে তৈরি হয়না পোটেনশিয়াল
থেমে আসে সমস্ত সিন্যাপসিস
তোমার সঙ্গে আমার
আমার সঙ্গে তোমার
যোগাযোগহীন প্রথা

নিরাপদ সম্ভাবনার সেতু গড়তে চেয়েছিল একদিন
আঙুলে আঙুল জুড়ে আভ্যন্তরিণ ভ্রমণ
ভ্রমণেরও কিছু স্তর থাকে
নিজেরই তরঙ্গে
ভাঙে
গড়ে
স্তরের কিনার জুড়ে ঠিকরে ওঠে বর্ণ
এমন বিপর্যয়
এমন বৈচিত্র্য
যেন বর্ণালির ফ্রেমে আঁটা বর্ণিক
এখনি রঙতুলির টংকারে ঘনিয়ে উঠবে
ভাঁজকরা ভ্রমণের রহস্যসকল
এখনি বিনিময় প্রথার ভেতর ঢুকে পড়বে
বিশৃঙ্খল শব্দাবলি
সংযোগকেন্দ্র গড়ে উঠবে মাথার ভেতর
অ্যাক্সানের পোটেনশিয়াল গাঢ় হয়ে উঠবে
রিঅ্যাক্সানের সংশয়ে

নিরাপত্তাবোধের যে বাগান বুনেছিল ইদানীং তার শেকড় উপড়ে ফেলে নিরাপদ