অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল ঘোষ ও রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায়

অর্জুন : ফরাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা বার্থেলেমি বোম্পারের ফিল্ম Revestriction. ১৯৮৯-এ নির্মিত। দুরন্ত অভিনয় আর আবহের কাজ। এই স্বপ্নটা আমিও দেখতাম। একটা উঁচু ফ্ল্যাটবাড়ির একটা ঘরে আছি। একা। আর হঠাৎ দেখছি কি-এক চুম্বন ও সঙ্গম অভিলাষে ছাদ নেমে আসছে মেঝেতে। আলমারি, বইয়ের তাক চ্যাপ্টা হয়ে যাচ্ছে ছাদের চাপে। দুদিকের দেওয়াল এগিয়ে আসছে মুখোমুখি। আর আমি ত্রস্ত।
সিনেমাটার শুরু থেকে বোঝা যাচ্ছে মেয়েটি মাটির ওপরে একটা বহুতল ফ্ল্যাটে রয়েছে। শেষে এসে দেখা গেল, সে রয়েছে আণ্ডারগ্রাউণ্ডে। ছাদ ফাটিয়ে মুখ বের ক’রে দ্যাখে উঠে এসেছে রাস্তায়।
ভালো কিছু দেখলে বা পড়লে, কারোর সাথে সেটা ভাগ ক’রে নিতে ইচ্ছে হয়। ফেসবুকে ইনবক্সে ফিল্মটার লিঙ্ক পাঠালাম ইন্দ্রনীল ঘোষকে। তারপর কি হ’ল? চলুন আমাদের ইনবক্সে...

Arjun : এইটা দেখেছো?
Indranil : না। দেখছি।
Arjun : dekhle?
Indranil : Just দারুণ। ব্যাপক টানটান
Arjun : মেয়েটার ঘরটা কোথায়? মাটির ওপরে? নাকি আণ্ডারগ্রাউণ্ডে?
Indranil : মাটির ওপরই তো
Arjun : তাহলে ছাদ ফাটিয়ে সে রাস্তায় উঠে এল কি করে?
Indranil : ওরে বোকা!!! ছাদটা যে নেমে আসছিলো, সেটাই তো সিনেমা
Arjun : উঁহু, ও তো একটা হাইরাইজার ফ্ল্যাটে ছিল। আমার তো মনে হল, অবস্থানকে শেষে পালটে দিল, র‍্যাদার গুলিয়েই দিল
Indranil : হুম। কিন্তু সেটা একদম। আবার খুব নরমভাবে গোলানো।
Arjun : হ্যাঁ, খুব হাল্কা টাচে একটু ট্যুইস্ট ক'রে দেওয়া
Indranil : হাইরাইজ বিল্ডিং তো ধসতে ধসতে মাটিতেই নামবে...
Arjun : এইরকম একটা স্বপ্ন আমিও দেখতাম। ছাদ নেমে আসছে মেঝেতে। কিন্তু ছাদ ফাটিয়ে আমি রাস্তায় উঠে আসবো, এটা ভাবিনি আগে
Indranil : কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, জানলাও সাথে সাথে নামবে
Arjun : হাইরাইজ বিল্ডিংটাকে কি ধসতে দেখিয়েছে? খালি ওর ঘরের ছাদটাই যদি নেমে আসে, এমনও তো হতে পারে
Indranil : হ্যাঁ, তাও হতে পারে
দুমিনিট দাঁড়া। বাড়িটা পেয়ে গেছি
আগে ওই বাড়িটা পাঠাই তোকে
Arjun : কোন্‌ বাড়িটা?
Indranil : এইটা বেশ মনে হচ্ছে। দ্যাখ
Doc1.doc
এর'ম হতে পারে, না? হেব্বি মজার।

ডক ফাইলটা খুলে দেখি ইন্দ্রনীল পাঠিয়েছে এই ছবিটা।

আসুন, দ্যাখা যাক অবস্থান উলটে দেওয়া এই ম্যাজিকের স্বপ্ন...

ড্রয়িং : ইন্দ্রনীল ঘোষ


অর্জুন : এইভাবে আমাদের যৌথ লেখার ফাইলটা পাঠানো হল রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। এবং পিকচার অভি বাকি হ্যায়। তিনি যোগ করলেন এর সাথে তাঁর পয়েন্টগুলো। পাঠক/দর্শক আপনি/আপনারাও পারেন, এই জার্নিটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

রাজর্ষি : তবে আপ সাইড ডাউন আর ডাউন সাইড আপ, এই গোলানোটাও রয়েছে। তুই যেখান থেকেই শুরু করবি না কেন অন্যটায় গিয়ে শেষ হবে। ছবিটার একদম শুরুতে কি আছে? দুটো ফিগার চেয়ারে আসীন। একটা শাদা পর্দা। মেয়েটির মাথার পেছনে একটা ক্রস। একটা হিউজ ক্যারাভান জাতীয় কোনো গাড়ি আসছে। ঘরটা নড়ছে। অ্যাপারেন্টলি। ঘরটা মাটির নীচে। অ্যাজ ইফ হেভেন ক্রাই ফর দ্য হেল্। একটা গাছ ঢুকে যাচ্ছে ঘরে। সেকিং লিভস। শি কান্ট আউট অফ দিস ইনফার্নো। এরপরেই ছবিটা ভার্টিকাল লিমিট পায়। শি কান্ট জাম্প ইভেন ইনটু দ্য হেভেন। দ্য স্ম্যাশ গোজ অন। টিল আপ সাইড ডাউন শি কাম্স্ আউট অফ এ হোল। দ্য ভেহিক্ল্ পাসেস অন ওভার হার হেড। দাস এণ্ডস্ দ্য ফিল্ম।

https://youtu.be/3S8Tskmp_CA