১.
কোথা থেকে শুরু করবে বুঝতে পারছো না । আগের আগের’টা থেকে , সুদেষ্ণা দি থেকে , ক্লাসরুম করিডোর থেকে ... হুড়মুড়িয়ে সেসব ফিরে আসবে তা তো ভাবোনি কখনও । ধ্যুত্তেরি বলে লাফিয়ে উঠে আলপিন দিয়ে ফাটিয়ে দিচ্ছ বেলুন গুলো । লেখ হে প্রতিবেশী , আমি তো লিখছি সহজিয়া ।

২.
বিকেল ঝুলিয়ে রাখা নীলাঞ্জন নিচ্ছে বিকেলের দিকে নীল রাঙ্গানো । রাঙ্গা নীলের নীলাঞ্জন --- মহুয়ায় ঝনক শব্দ বাজলে নেশা-ঘোর উপচে ওঠা সুর জানেনা কোথায় গেলে বৃষ্টির মুখ ঘুরিয়ে দেওয়া যায় আকাশের দিকে মুখ করে । বাগানের চোখ দিয়ে দেখে দেখে নেওয়া ‘পুনরায়’ কে গলিয়ে ঢেলে দিলে গলানো নীলের নীলাঞ্জন ফিরবে টেলিফোন বিল , ইলেকট্রিকের বিল মিটিয়ে নিশ্চিন্তে । পদ্মাপাড়ের মেয়েটির নাম জিজ্ঞেস কোরো না । তার বয়ানে এতদিন ঢেউ এর উথাল ওঠাপড়া ছিল ... এখন চরাচর বয়ান বদল করছে নীলাঞ্জন কে ছাড়িয়ে অকূল দরিয়ার খোঁজ জানেনা এমন আসমান জমিন একাকারের দিকে ---

৩.
বনের মধ্যে পাতার ঘন বেয়ে ডালপালার ঘন বেয়ে নরম আলো নামা । বুনো বাতাসে ভর করে একটা কন্ঠস্বর ছুঁয়ে আসছে যেন সেই আলো । কিছু দূরে নদীটা – কিছু দূরে জলীয় বয়ে চলা । কিছুটা দূরে , কিন্তু খুব দূরে নয় । নদীর অল্প অল্প ঢেউ এ সেই কন্ঠস্বরের মৃদু কাঁপন লাগছে । কে যেন ডেকে চলেছে অনবরত । আকূল অথচ বিনম্র । কে সে ?