কিছু না থাকার ভেতরে যে ঈশ্বর
জেগে আছেন , যেন
ঘুমিয়ে ছিলেন
মানুষের দীর্ঘশ্বাস থেকে দূরে
মানুষের শব্দহীন হাসি থেকে দূরে
ঘুমিয়ে থাকার যথেষ্ট প্রয়োজন ছিলো তার।

স্বপ্ন নেই, এযাবৎ ঘুমের ভেতর যত অসম্ভব বাঘ এসে কাতুকুতু দেয়
আদি ও সনাতন মাংস কেঁপে কেঁপে ওঠে
দেনাগ্রস্হ চাঁদের রসে
এসমস্ত অতিথিবৎসলতা আজও ফড়িং -এর ভেতর কিছু কম্পন সৃষ্টি করে মাত্র।

এই কম্পন আমি অস্বীকার করে নেমে এলাম এইমাত্র
রাস্তায়
ওপরে আকাশ এক স্বেচ্ছাপীড়িত হুজুগ
নীচে তার স্নেহবিদীর্ন শরীর
চির বসন্তের কাঁটাওয়ালা শরীর।


মা বলতেন - 'ঝড়ের সময় দরজা বন্ধ করতে নেই'।
আমরা দরজা খোলা রেখে অপেক্ষা করতাম
যেন জল হাওয়া মাথায় নিয়ে কেউ হঠাৎই আশ্রয় চাইবে।

অথচ কোনোদিন কিছুই ঘটেনি, এটাই  একমাত্র ঘটনা।

হয়তো মা চাইতেন ঝড় আসুক, ঘরের ভেতর
একটু ওলোট পালোট হোক সব
বহুদিনের গুমোট ভাবটা কেটে যাক অন্তঃত।

বারবার সেই ঝড়ের সামনে গিয়ে পড়ি
আর মাকে মনে পড়ে, আমাদের অপেক্ষা মনে পড়ে
ফলে ঝড়ের ভেতরেও আমি মোটামুটি একটা ঘর পেয়ে যাই এখন, এই গরম পাথরের দেশেও।