বা‌ংলা কবিতা সংক্রান্ত এযাবৎ যাবতীয় যা প্রামাণ্য বই লেখা হয়েছে, তার অন্যতম অনির্বাণ মুখোপাধ্যায়ের 'উত্ত‍র ঔপনিবেশিক বাংলা কবিতা'। বস্তুত বাংলা কবিতার এক দীর্ঘ সময়কাল নিয়ে রীতিমত গবেষণাধর্মী চর্চার পরিস‍র ছিল সে বইতে। সেই বইয়ে উত্তর ঔপনিবেশিক বাংলা কবিতার কাব্য-রাজনীতি সংক্রান্ত প্রবন্ধে অনির্বাণ মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন নীলাম্বরীর নীল সুতোর কাছে বাংলা কবিতার ফিরে যাওয়ার কথা। বাংলা কবিতার ভুবন হোক লোকায়ত, আবার একইসঙ্গে মহাজাগতিক, এমন বাসনা নিয়ে প্রবন্ধটি শেষ করেছিলেন অনির্বাণ।

এ সিদ্ধান্তে তিনি উপনীত হয়েছেন কাব্য-রাজনীতির নির্মাণের ইতিহাসের দীর্ঘ পথ পার করে। এই নির্মাণের ইতিহাসে অবশ্যম্ভাবী ভাবেই এসে পড়েছে 'কবিতা' পত্রিকা থেকে 'কৃত্তিবাস' অবধি কাব্যজগতে মালিকানাধীন যে আধিপত্যবাদ চলেছে, সে সংক্রান্ত কথা। কাব্য-রাজনীতির ইতিহাস বিচারে 'কবিতা' পত্রিকা এবং 'কৃত্তিবাস' পত্রিকা-র 'অভিভাবকত্ব'-এর উল্লেখ অনিবার্য হয়ে উঠেছে কালক্রমে। কিন্তু কাব্যের অন্তর্লীন রাজনীতির সঙ্গে সবসময় এই প্রাতিষ্ঠানিকতার সম্পর্ক থাকতে পারে না। সেই রাজনীতির সুলুকসন্ধান হবে কী করে? এক্ষেত্রে বেছে নেওয়া যাক একজন কবিকে, এবং তার কবিতা কাব্য-রাজনীতিকে কীভাবে চিহ্নিতকরণ করল সে বিষয়ক আলোচনায়।

জীবনানন্দ দাশ-এর মৃত্যুর পর বুদ্ধদেব বসু 'জীবনানন্দ দাশ-এর স্মরণে' বলে একটি প্রবন্ধ লিখছেন। 'প্রগতি' পত্রিকায় ভাদ্র ১৩৩৬ সংখ্যায় বুদ্ধদেব বসু সংলাপের ঢঙে জীবনানন্দ দাশের কবিতার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন, এবং উক্ত প্রবন্ধে তা উদ্ধৃত করেছেন।

"অনিল। আজকালকার একটি কবির লেখা পড়ে আমার আশা হচ্ছে, আর বেশি দেরি নেই, হাওয়া বদলে আসছে।

সুরেশ। কে তিনি?

অনিল। জীবনানন্দ দাশ।

সুরেশ। জীবানন্দ দাশ? কখনো নাম শুনিনি তো!

অনিল। জীবানন্দ নয়, জীবনানন্দ। নামটা অনেককেই ভুল উচ্চারণ করতে শুনি! তার নাম না শোনবারই কথা! কিন্তু তিনি যে একজন খাঁটি কবি তা'র প্রমাণস্বরূপ আমি তোমাকে তাঁর একটি লাইন বলছি- 'আকাশ ছড়ায়ে আছে নীল হয়ে আকাশে আকাশে'। ... একেই বলে magic line।"

'জীবানন্দ' নামটা সেসময় ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে ব্যবহৃত হত, এবং খোদ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ই এমনটা বলেছেন বলে শোনা গেছে। সেই ব্যাঙ্গকে উল্টে জীবনানন্দের পক্ষে সওয়াল করার জন্য ব্যবহার করছেন বুদ্ধদেব, এবং জীবনানন্দের  কাব্যকৃতি, তার শব্দ ব্যবহারের প্রশ্নে একটি বিতর্ক উপস্থাপনা করেছেন। শব্দের ব্যবহারের প্রসঙ্গে ওকালতি করতে গিয়ে বুদ্ধদেব একবার একটি কবিতা তে 'রুধির' শব্দের ব্যবহারকে 'weak' বলে চিহ্নিত করেন। আবার সংলাপের বিবাদী পক্ষ যখন 'দেহ'-এর আগে 'ছেঁড়া' বসানো নিয়ে আপত্তি করেন তখন সেই শব্দ ব্যবহারের পক্ষে প্রতিযুক্তি দেন।

বুদ্ধদেব নিজেই স্বীকার করছেন 'প্রগতি' পত্রিকার সম্পাদকীয়তে বারবার চলে আসছে জীবনানন্দের কবিতা সংক্রান্ত আলোচনা। বুদ্ধদেব প্রায় আত্মপক্ষ সমর্থনের ভঙ্গিতে জীবনানন্দের স্বপক্ষে ওকালতি করছেন। 'ক্যাম্পে' কবিতাটি যখন অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত হচ্ছে, তখনও বুদ্ধদেব পুরোমাত্রায় পাশে দাঁড়াচ্ছেন জীবনানন্দের।  "ঘাইহরিণীর ডাক শুনি/কাহারে সে ডাকে"- এই যৌন অভিব্যক্তির উচ্চারণে অভ্যস্ত হতে শেখেনি তখনও বাংলা কবিতা। বাংলা কবিতার স্থিতধী শুচিবাই এই শব্দকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করল, এখানেই এর সর্বোত্তম সাফল্য। 'পরিচয়' পত্রিকায় ১৯৩২ সালে এ কবিতা প্রকাশিত হওয়া মাত্রই আলোড়িত হয়েছিল কাব্যজগত। ক্লিন্টন বি সিলী তাঁর 'A Poet Apart'- এ লিখলেন, "The word's denotation continues to be imperfectly understood to this day"। এই "imperfectly understood" মন্তব্যের দ্যোতনা অবশ্য স্বীকার্য। জীবনানন্দ আজীবনই তাই। যেজন্য রবীন্দ্রনাথ তার কবিতাকে 'চিত্ররূপময়' অভিধা দিয়ে একজাতীয় একমাত্রিক রৈখিকতায় ফেলে দিতে চান, যেজন্য তার কাব্যগ্রন্থের নাম 'বাংলার ত্রস্ত নীলিমা' থেকে হয়ে যায় 'রূপসী বাংলা'।

কিন্তু বুদ্ধদেবের 'প্রগতি'-র মাধ্যমে জীবনানন্দের পাশে দাঁড়ানোর পেছনে নির্ণায়ক শক্তি ছিল 'আধুনিকতা' নামক একটি সমস্যা। সমস্যা বলছি, কারণ আধুনিকতার সন্দর্ভ তখনও নির্মাণের মোকামে। এই আধুনিকতার বিশ্বজনীন প্রেক্ষিত ছিল। আধুনিকতা ব্যক্তির জন্ম দিয়েছে। শিল্পবিপ্লব, সাহিত্যে রোমান্টিকতাবাদ প্রভৃতি যে ব্যক্তির অন্তর্লীন ব্যাপ্তির কথা বলেছিল তাকে আশ্রয় করেই গড়ে উঠেছে আধুনিক দর্শন, তারপর ধীরে ধীরে নেতির বোধ এসেছে।  নীৎশে ঘোষণা করলেন ঈশ্বর মৃত। ঈশ্বরের শবসাধনাই আধুনিকতার অভিজ্ঞান হয়ে উঠল। বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেল, বিশ্বজুড়ে হিংসা, মন্দা যেন ব্যক্তিকে এক আত্মিক সংকটের মুখে দাঁড় করাল। কোন আগ্রাসী অস্তিত্ব নিয়ে বাঁচবে মানুষ, উইল ডুরান্ট প্রশ্ন করছেন তার চিঠিতে, পৃথিবীর সব দার্শনিক, বিজ্ঞানী, ইতিহাসবেত্তা ও সাহিত্যিকদের। ওয়ার্ডসওয়ার্থের রোমান্টিক প্রকৃতিদর্শনকে অতিক্রম করে কোল‍রিজ খ্রিষ্টান পবিত্রতা থেকে বের করে নিয়ে আসতে চেয়েছেন নিজের কাব্যকে। মিলটনের বহু পরে শয়তানের ফুলশয্যার কাব্য শোনালেন ব্যোদলেয়ার। এলিয়ট বলেছিলেন কাব্যলোকে যে খ্রিষ্টধর্মের অনুসন্ধানী হলেন ব্যোদলেয়ার, তা তার একান্ত ধর্মীয় প্রতীতির। রাঁবোর কবিতাতেও এই প্রবল বিতৃষ্ণার, ঘৃণার পরিসর। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর বাংলা কাব্যের আঙিনায় ব্যোদলেয়ার রাঁবো-রা এসে পৌঁছচ্ছিলেন। বুদ্ধদেব বসুদের কাছে বরণীয় হয়ে উঠছিলেন এরা। বুদ্ধদেব বসু পরবর্তীতে ব্যোদলেয়ার অনুবাদও করেছেন। তাঁর সম্পর্কে বুদ্ধদেব বলেছেন, "তাঁর ছন্দে প্রথম ধরা পড়ল, সব ক্লেদ ও সন্তাপ নিয়ে, আধুনিক নগরজীবনের চঞ্চলতা"। ব্যোদলেয়ারের পূর্বসূরীদের মধ্যে মার্কিন কবি অ্যালান পো-র গুরুত্ব ছিল স্বয়ং ব্যোদলেয়ারের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। অ্যালান পো-ই বুদ্ধদেব বসুর মতে, কবিতাকে প্রথম নতুন করে তুলতে চেয়েছিলেন। এই আন্তর্জাতিক কবিদের বা‌ংলা কবিতার পাঠমানচিত্রে রীতিমত দায়িত্ব নিয়ে তুলে আনার পেছনে আধুনিক বাংলা কবিতা-র দূর্গ গড়ে তোলার তাগিদ ছিল বুদ্ধদেবের। সেক্ষেত্রে জীবনানন্দ তার নষ্ট চালকুমড়োর চিত্রকল্পমাখা গ্রামবাংলা ও অনুপম ত্রিবেদীর ক্লেদাক্ত নাগরিকতা, যা মিলে যেতে পারে এলিয়টের জে আলফ্রেড প্রুফরকের কাব্যিক ব্যঞ্জনার সঙ্গে, এইসব নিয়ে বুদ্ধদেবদের কাঙ্খিত কাব্যাদর্শের প্রায় চিহ্নক হয়ে উঠেছিলেন জীবনানন্দ।

১৯২৮ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরা পালক' প্রকাশিত হয়। ততদিনে বাংলা কবিতায় মহীরুহের মতন ছায়া দিচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ, এবং অবিরাম সংঘর্ষ যাঁর কাব্যকে ঘিরে দানা বাঁধছে তাঁর নামও রবীন্দ্রনাথ। 'কল্লোল' গোষ্ঠী একরকম অসহায়তা থেকেই যেন জেহাদ ঘোষণা করছিলেন, যতীন্দ্রমোহন, করুণানিধান, সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের মতন রবীন্দ্র অনুসারী তাঁরা হবেন না, তাঁদের প্রয়োজন একান্ত নিজের কাব্যভাষা যা দিয়ে সময়ের স্বরলিপিকে ধরবেন তাঁরা। নজরুল ইসলাম, যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, মোহিতলাল মজুমদারদের অন্যতর প্রচেষ্টা সেসময় প্রকট। নজরুল তাঁর গ্রাম্য এবং অনাগরিক শেকড়চেতনাকে অবহেলা না করেই এক নতুন কন্ঠস্বর তৈরি করছেন। বিদ্রোহ হোক, প্রেম হোক, সর্বদাই সে কন্ঠস্বর তার উদাত্ত উপস্থিতি জানান দেয়। তাঁর শব্দচয়নে ভারতীয়ত্বের মাঝেই পারস্য তার আবহ নিয়ে ঢুকে পড়ে অনায়াসে। ধর্মীয় কারণে নয়, তাঁর এই ইসলামি শব্দচয়নের সঙ্করায়নের প্রক্রিয়া বাংলা কবিতার তৎকালীন পাঠঅভিজ্ঞতাতে তাঁর নিজস্ব সাক্ষর বহন করল।  'কল্লোল' এর কবিরা অনুযোগ করলেন বাস্তবের সঙ্গে রবীন্দ্রকবিতার শারীরবৃত্তীয় যোগের অভাব। উল্লেখ্য, 'বাঁশি'-র মতন কবিতা রবীন্দ্রনাথ খুব বেশি লেখেন নি। মোহিতলাল যতীন্দ্রনাথরা আস্তে আস্তে যেন চেষ্টা করছেন নাগরিক গ্লানি, শরীরী জীবনে পা রাখার তাদের কাব্যান্বেষণের দ্বারা। পাশ্চাত্যের প্রভাব সেখানে আছেই। এর মধ্যেই বৌদ্ধিক প্রখরতায় নিজেকে অনন্য করে তুলেছেন সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। বিষ্ণু দে ক্রমে প্রবেশ করেছেন এক জটিলতর মানসচর্চার তির্যক অঙ্গনে, তীব্রতর বাস্তবের মুখপাত্র হয়েও সুভাষ মুখোপাধ্যায় বেরিয়ে আসেননি রাবীন্দ্রিক মঙ্গলের ভাবনা থেকে। অমিয় চক্রবর্তীর নাম করা চলে তাঁর রবীন্দ্রনির্ভরতা সত্ত্বেও নিজস্ব পরিচিতি নির্মাণের প্রচেষ্টার নিরিখে। এইসবই ওই যুগের কাব্যিক মননের অন্তর্লীন দ্বন্দ্বের ফসল। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় পরবর্তীতে যাকে বলেছেন, 'রবীন্দ্রনাথকে অস্বীকার এবং পুনরাবিষ্কার', তা এইসময় ঘটেনি। রবীন্দ্রনাথের অস্বীকৃতি কখনই সম্পূর্ণত ঘটেনি এসময়ে, আর রবীন্দ্রনাথ একরকমভাবে আবিষ্কৃত হয়েই ছিলেন। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের স্তম্ভসমান অস্তিত্বকে সূর্যের মতন রেখে আবর্ত গতিতে একই কক্ষপথের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলা কবিতার যে গ্রহগুলি স্বাতন্ত্র্য দাবি করছিল তাদের ছাপিয়ে যাওয়া এই যুগের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য হিসেবেই ফুটে উঠেছিল। এই রংবেরং এর কাব্যসম্ভাবনা এইসময়ের গর্ভজাত। কিন্তু এসময়ে জীবনানন্দের কাব্যজগতে প্রবেশ কে আমাদের কাব্যের ইতিহাসের এই সৌরজাগতিক নিয়মতান্ত্রিকতার বাইরে দেখতে হবে। বাংলা কবিতার বিবর্তনের যদি কোনো বৈজ্ঞানিক রূপরেখা তৈরির প্রয়োজন হয় কখনো, অবশ্যই সেখানে বিচ্যুতি হিসেবে ধরা দেবেন জীবনানন্দ। সপ্তকে আচমকা কোমল ধা, কড়ি মা বা কোমল নি-এর মতই তার উপস্থিতি। কিন্তু বুদ্ধদেবরা আধুনিকতা প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে যে তর্কে জড়াচ্ছেন তার উত্তর হয়ে উঠছেন জীবনানন্দ স্বয়ং। 'ঝরা পালক' তিনি উৎসর্গ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথকে। 'ধূসর পান্ডুলিপি' আর উৎসর্গ করলেন না রবীন্দ্রনাথকে। রবীন্দ্রনাথ থেকে একরকমের বিচ্যুতিতে এসে পৌঁছচ্ছেন যেন জীবনানন্দ। তাই রবীন্দ্রনাথের কবিতায় গ্রীক 'সেরেনিটি'-র যে বোধ রয়েছে তাকে মাথায় রেখেই জীবনানন্দ এক অশান্ত কাব্যভুবনের সন্ধানী হয়ে ওঠেন।

এই বিতর্কের ফাঁকেই কিন্তু জীবনানন্দ বাংলা কাব্য-ইতিহাসের বাঁকবদলের মাত্রা হয়ে উঠেছেন। কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত বলছেন, "যাঁকে 'নির্জনতম কবি' বলে গণ্য করা হয়েছিল, তিনিই আসলে বাংলাভাষার জনপ্রিয়তম কবি।" কাব্য-রাজনীতি যদি কাব্যের অভিমুখ নির্ণয় করার কাজ করে থাকে তাহলে বুদ্ধদেবরা চেষ্টা করেছিলেন জীবনানন্দের কবিতা ব্যবহার করে সেই অভিমুখ নির্ণয়ের কাজ করার। আধুনিকতা নামক একটি নিরালম্ব বায়ুভূতকে সামনে রেখে। বিনয় মজুমদার বলেন তার কবিতার বিষয় নির্ধারিত নয়। সবকিছুই তার কবিতায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আধুনিকতা কি তেমন কোনো বিষয়াভিমুখ নির্ণয় করেছে? সেই বিষয়াভিমুখ তাহলে পরবর্তীর কাব্য-রাজনীতির নিয়ন্তা হল কি? তা অবশ্যই নয়। 'সংবাদ মূলত কবিতা' -বিষ্ণু দে-র এই পংক্তিও তো ছিল। বাংলা কবিতার বিষয়াভিমুখ একমুখী হয়নি।

তবে জীবনানন্দ এই কাব্য-রাজনীতিকে অতিক্রম করেই জরুরি হয়ে উঠেছেন পরবর্তীর কাছে। বস্তুত বাংলা কবিতা জীবনানন্দকে বহন করেছে। যেজন্য কবি রণজিৎ দাশ সোচ্চার হয়ে জানান, "রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা কবিতায়; জীবনানন্দই আমাদের মহত্তম উত্তরাধিকার।"

ক্রমশঃ