ভাষান্তর: শতানীক রায়

 

একটি শেয়াল অপেক্ষা করছে


সাদা বরফের ওপর লাল দাগ।
আহত পশু,
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে।


দিনের শুরু।
একটি সাদা ঘোড়া
জন্মেছে
একটি কালো ঘোড়ার জঠর থেকে।


বাতাস বয়ে নিয়ে যাবে
চেরি ফুলগুলোকে
মেঘের সাদা রঙের ভেতর।


প্রত্যেকটি উঁচু ঢেউয়ের পেছনে,
তিনটি ছোটো ঢেউ।
প্রত্যেক তিনটি ছোটো ঢেউয়ের পেছনে,
একটি করে উঁচু ঢেউ।


আমি চাঁদের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে
ঘন মেঘের ভেতর প্রবেশ করলাম।
তারপর মদ খেয়ে
ঘুমোলাম।


চাঁদ ধূসর হয়ে ওঠে
প্রথম সূর্যরশ্মির সঙ্গে।
তারা উধাও হয়
ভোরের প্রথম গৃহস্থ মোরগের ডাকে।


ফুল সুগন্ধ ছড়াতে থাকে
ঠিক সন্ধে নামার মুহূর্তে।


একটি পাখি,
যে অজানা
আরও অন্য পাখিদের কাছে,
রাতে গান গায়।


কাকতাড়ুয়াটির কোনো জামা নেই।
শীতল রাত।

১০
রাত।
সমুদ্র।
শীতকাল।

১১
হেমন্তের প্রথম জ্যোৎস্না
জানালার ওপর জ্বলজ্বল করতে করতে
সার্সিটা কাঁপিয়ে দিল।
১২
আমি ফুলের কথা ভাবি।
ঠান্ডা বাতাস বওয়া শুরু হয়।
আমি উঠে গিয়ে জানালা বন্ধ করে দিই।

১৩
হেমন্তের প্রথম হাওয়া আমাকে হেনস্তা করলে
সারি সারি শুকনো পাতা এসে
আমার ঘরে আশ্রয় নেয়।   

১৪
আমি স্বপ্নে দেখি
আমাকে কবর দেওয়া হয়েছে
হেমন্তের পাতার নীচে।
আমার শরীর গজিয়ে উঠছে সেই কবর থেকে।   

১৫
আমি একটি সিগার
ধরালাম।
আজ হেমন্তের প্রথম দিন।

১৬
আমার জামার হাতার তলায়
কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে
দু’টি হেমন্তের পাতা
নিজেদের লুকিয়ে ফেলেছে।

১৭
হেমন্তের প্রথম হাওয়ার সঙ্গে
গাছের একটি অচেনা ছোটো পাতা,
আমার ঘরে উড়ে এল।    

১৮
একটি ধুলোর ঘূর্ণিঝড়
অনুসরণ করে
গাছের একটি পাতাকে
সপ্তম স্বর্গ অবধি।

১৯
বৃষ্টিমুখরিত দিন।
একটি বর্ষাতি,
হাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হল,
রাস্তায়।  

২০
আমি দুই হাত দিয়ে টুপিটাকে চেপে ধরি।
হেমন্তের শুরু।
হাওয়া কি তবে আমাদের উড়িয়ে নিয়ে যাবে?