এই মহামানবের সাগরতীরে আমরা লটকে গেছি।
চমকে গেছি। পিছলেও যাবো।
খন্ড খন্ড স্মৃতির দানা পায়ে দলে,
অফিস করবো। কলেজ করবো। তরজা করবো।
আবার বেঁচে থাকা সংক্রান্ত ক্ষোভও দেখাতে পারি।
আহা এমনটা তো বলছি না যে,
হতেই হবে। হতেই হবে। নইলে কিচ্ছু মানবো না!
স্টেশনের শেষ ট্রেনের সময় পেরোলে,
বাড়ি বলে বস্তুত কিছু নেই একথা জেনে যাবো।
আর বুকের পাঁজরে লিখে রাখবো,
“মৃত্যু চাহিয়া লজ্জা দিবেন না!”
 

জ্যোৎস্নার ধুলোবালি

একদিন এমনও তো হতে পারে,
তুমি আমি কেউ কোথাও নেই।
শুধু ফাঁকা উঠোনে দাসত্ব করে,
বিরহী জ্যোৎস্না-জখম।

 
বধের আগে পর্যন্ত

গা থেকে খসে পড়ছে নরম মাংস।
হরিণী হয়ে ছুটে চলে শৈশব।
আকাশে আকাশে বারতা গেলো রটি,
গেলো হপ্তায় উবের স্ট্রাইক ছিলো!
অচঞ্চলা পাখিরা ঘুরপাক খায়,
বহুদূর থেকে দেখে খেলনাবাটির উপাখ্যান।
এখানে রাত হলে অসমাপ্ত কাব্য নামে,
ও সন্ধ্যায় নেশাতুর ক্যাকোফোনি।
কোনোটিই আমার নয়।