মাননীয় জোসেফ

আপনার কাছে এসে পৌঁছলাম
আরতি শুরু সার্বজনীন মন্ত্রপাঠ  

তন্ত্র ছাড়া  রক্ত কখনো রক্তজবা হয়না
মহাপাখির ছদ্মবেশ উড়ন্ত স্বেদ
মুষল রম্ভা
ডাকিনী মালিকায় ছারখার চারদিক
গেল গেল ঢেউ

আপনার খড়গদ্যুতি শুধু ক্রোধ, ছিন্নমস্তা

মাননীয় জোসেফ
পরম আদরে সংসারী মানুষের গলায়
আপনি বুলিয়ে দিতেছেন আদুরে বাইসেপস

 


মন্দিরের মাংস খেতে খেতে

মনে হল ইটগুলি গো-রক্তে ভারি, কাবাব-শূকর নাড়ী ভুঁড়ি
আধসেদ্ধ আফসানায় দ্রবীভূত রুদ্রাক্ষ। মন্দিরের ডান ঠ্যাং খুব শক্ত আর ঠাণ্ডা।

আরাম কোরে চিবোনো যায় না এমন রুক্ষ নলীহাড়, ধানদুব্বো। বাম হাতের আঙুলগুলি
মৃতমুর্গির হলদে মজ্জা। চ্যাপ্টা পাঁজর ডানাছাঁটা পাংশুটে। লম্বা-লম্বা রাঙ ঝলসানো
খেতে খেতে মনে হল কালীমন্দিরগুলি আসলে ভাগাড়ের জিভ দিয়ে বানানো।

 

৩  

বেশ্যাপাড়ায় দেখেছি কালীমন্দির, প্রথম

গুহাজল নভোজল সাঁতলানো সৃষ্টি স্থিতি প্রলয়
শুচি-অশুচির গোখরো, ইয়া বড়ো। আশ্চর্য বড়ো কালীমন্দিরের বোঁটাকক্ষ
নিয়েছি টেনে প্রাণপণ ডাকসাইটে কেউটে-কদম। তীব্র চেখেছি দেবীর কানপাশা।
চুড়ি-হার-চূড়া-কানকো। পরতে পরতে উলুধ্বনি।
    
প্রতিমা নিরঞ্জনা, শুনেছি এমনটাই নাকি বেশ্যাপাড়ায়, কালীমন্দিরের কাঠামো
প্রতিটি সন্ধ্যা ডবকা শূন্যবসনা। কাত্যায়নী কালী, আসর তলায় নিত্য আরাধনা
প্রতিরাতেই জাগ্রতমূর্তি, প্রহরে প্রহরে বাঁড়া-রতি হয়। তমসো মা জ্যোতির্গময়।


৪  

শরীর তোর. বামাক্ষ্যাপাময়

ফলের ঝুড়ি তো নয়। আঙুল বোলানো রণবনজলজঙ্গলের ত্রাতা।
দেখলেই, প্রবল লোকনাথ পাচ্ছে যে। হে মাতাঠাকুর, রক্ষে করো।
অই দুলছে বাতাস-শোভিত কচিডাবের আভা... .

ঠোঁটের সাঁইবৃন্ত, বিভূতি ভিজে-ভিজে। নিতম্ব। অনুকূলের জোড়া-অপেরা।  
নিত্যপূজার বেদী তুমি হে রসেবসে বিপদতারিণী। নাকি মধুর সঁপেরা?

তোমার ব্রেসিয়ার, নেই.। ক্যানো? হাল্কা জড়ানো। বিশ্বসমস্ত দুধ আঁটে না বুঝি?
ছিলায় অছিলায় আমায় যৌনডাক পাঠাও কেনো হে? তাক করো ক্যানো?  
মহাঅনল। অশনির ঝলক। লক্ষ্মীসরায় যৌনতার আস্পর্ধা।

মাথার ঠিক থাকে না বে।