অস্ত্রোপচার

ধীরে ধীরে নীরবতা অস্ত্রোপচারের ভাষা দিয়ে
তোমার শরীর চিরে ফ্যালে।
আর আমি আলো জ্বেলে দিই।
বিশ্বজন্মমুহূর্তের কোনও আলো
     শরীরের গভীরে ডুবুরি হয়।
অন্ধকার বিষ্ফোরন সব
        ভাঙাচোরা হৃৎবিন্দু হয়ে পড়ে আছে...

ভুলে যাওয়া জন্মদিন কামড়ে ধরে
         ঢুকেছি তোমার মধ্যে...
                  আবহমানের
সামান্য কয়েকটি ফোঁটা
  একা একা বাইরে বেরিয়ে আসে...

 


লীলাবতীর নির্জনতার জন্য

ওরা বলছিল লীলাবতীর নির্জনতার জন্য এক টিপুন, যন্ত্রণার জন্য দুই টিপুন, বিশ্বাসঘাতকতার জন্য তিন টিপুন... এবং দুঃখিত আপনি কোনও ইনপুট দেন নি, দয়া করে ইনপুট প্রদান করুন।
####
আর্দ্রতার এই মলাটের পিছনে অদ্ভুত এক কন্ঠস্বর... হাঁটতে হাঁটতে হারিয়ে যাওয়ার পথ মনে হয়... দীর্ঘশ্বাসে মুছে যাচ্ছে পৃথিবী, উড়ে যাচ্ছে গাছের পাতা, রোদ্দুর, ছায়া... আর ওই গতিময়তার কাছে নিশ্চল গন্ধের একটুখানি জীবন।
###
তার দিকে তাকিয়ে যখন হাসছি... চোখের মধ্যে তিমিমাছের হাহাকার... স্রোতের কাছে নদীর মত থাকি সারারাত। সকালের মুঠোয় কিচ্ছু নেই ... শুধু ফিরে যাওয়া কিংবা ফিরে পাওয়ার কোনো প্রতিশ্রুতি

 

 

মিথ্যে

মনে হয় মিথ্যে যত সুতো।
মিথ্যে সব গিঁট পড়ে শিশিরের পথে।
বিপন্ন পাতার সঙ্গে উড়ে উড়ে যেপথে ফুরিয়ে যায় সবকিছু ...

গ্রন্থি খুলে দিলে বড় বেশি শীতকাল দুপুরের রোদে

দিনের বিনানি খুলে জীবনের সব ছায়া নেমে আসে পথে ...

দুপুরবেলাকে ওই ছায়ায় আটকে রাখে যে হপক্লিপ,
একদিন কামড় দিয়েছিল সেইই আঙুলে আমার ...

হায় রক্তপাত!
বিশ্বাস করোনি তুমি,

অন্ধকার নিরর্থক ছিল ...