আগমন।
আগমনী।
অগম্য।
অগম্য নাম্নী।

দুর্গম এক সময় এসেছে পৃথিবীর বুক বরাবর। কান ঘেঁষে। কিন্তু না, বেরিয়ে যাচ্ছে না! কান ঘেঁষে বেরোচ্ছে না  কিছুতেই। স্পর্শ জুড়ে সন্দেহের আগমন। অ থেকে আ। সুর থেকে বেসুর। আগমনের ভিতর গমনের দুখজাগানিয়া বাঁশি।

কাশফুল। হয়ত-ফুল। কাশের বনে থমকে থাকা হয়ত-সময়। তুম হোতে তো ক্যায়া হোতা? তুম হোতে তো অ্যায়সা হোতা, তুম হতি তো ওয়েস্যা হোতা। সময় হসন্ত, হন্তদন্ত, তদন্ত শেষে হয়ত হয়ে নিঝুম বসে আছে।

আগমন মানে কি সংক্রমণ? গল্পের সংক্রমণসম্ভাবনা। এই গদ্য গল্প হতে ইমিউন। শুধু আকাশচারী। আকাশে অন্য পৃথিবীর নব্যসংক্রমণের খোঁজে।   

সেদিন বিকেলে যখন তাবৎ রামধনু দেখা দিল, ঢেকে গেল সদ্য চলে যাওয়া প্লেইন-কক্ষপথের নিশানস্বরূপ সরল-বক্ররেখা, হাতে ভাগ্যিস কোন ফোন ছিল না। সব গদ্য, সকল পদ্য, মুঠোছবির আসরে মিলিয়ে যাবার আগে ক্লিকবিহীন বিবৃতি ধরে রাখলো সে বর্ণালীকে। বর্ণালী জুড়ে আগমনী দেখল শব্দেরা।

আসার মধ্যে না আসার আর ফেরার মধ্যে না যাবার মুখ ভেসে উঠল নভোচরে। হয়ত-ফুলের আশেপাশে অন্যমনের আগমন শিরশিরিয়ে বলে গেল আগাম রমনের রামধনুকথা।

তারপর বৃষ্টি নামলো। বুজে এলো ভাষার চোখ। গল্পের সংক্রমণে গলে গেল গদ্য। অগম্য সে কাহিনী রং লিখে দিল বর্ণালীর চিত্রগন্ধী স্তনবৃন্তে। আকাশ ততক্ষণে দুধে ভরে গেছে। দুগ্ধবর্ষণ শুরু হয়েছে লাল মাটির উপর।