অক্ষর বোনার অতিরিক্ত
             কোন মুদ্রাদোষ নেই
নেই মর্ত্য আঁচল সংগোপন
ত্বরা, জরা, তন্দ্রাহারা এ কালোচ্ছ্বাস
প্রভু নাভিরন্ধ্রে শ্লেষময় কিস্তিমাত
পুঙ্খানু রংমশাল
ওগো সীমাহীন
ওহে সাঁই
প্রবাদের হাতে ভাসালাম

nayadashak october 2020


অবাধ ক্লীবজাত আস্কারা
ভজিয়াছে ও মনদুগ্ধবাসনা
পেখমেপুচ্ছে মলমল নিদারুণ
কৃষ্ণ পেতে মন আগে কালীসাধনা

e


 

সাঁইস্রোতের কিঞ্চিত এভাবেই গুজরান
মাঘের চাদরে শতছিন্ন ভিখারিনী
               ছায়াছন্ন কুন্ডলীর সহজিয়া এতাবৎ
আঁধার পশলাচূড়ামণি
               ওগো নীরবে রাখি
কালঘাম পুলকিত সখীলো
          হাত পাতি মুর্শিদ আয়ুরেখা সম্বল
শব্দ কেটে কেটে মধ্যরাত গড়ে তোলে
মা তোমার দুধের আদল

 

b


তবু এখনো বলবো কবিতা হচ্ছে কোথায়!
নিরবচ্ছিন্ন একটাই কবিতা কীভাবে?
কবিতার কথায় খিস্তিখেউর টানছি রেখায়
অবশিঞ্জীনি খুসবু আর কুহুবাতাসগামী কবিতা
টানা ছ’ঘন্টা কান্না উগরে
              বদগন্ধ প্রপাতে হুলিগান দোঁহা গুলালে নামাজে আলতো কালাজ্বর
এইসব সড়গড় লিখে যাচ্ছি আসলে
           কাঁদছিনাতো ছিঁটে-ফোঁটাও-
ব্লার হতে চাওয়া শ্যামঅঙ্গ
কি নিথর দীনহীন এই পাড়া আরসে’পাড়া

a


 

সেসব গল্পে আজ আর যাবনা
ফিরে তাকাচ্ছি ঘরে
আর হ্রেষার দাপটে ঘরময় বাজিকর
শরীর, শরীর থেকে গড়িয়ে আসা সান্দ্র
সান্দ্র শরীর আর শরীর খুঁড়তে গাঁইতিশাবল
ঠিক ভ্রুয়ের মাঝ হতে বেরিয়ে এসেছে চামচ
আর সেখানে চোখের সামনে দুলছে নিয়ন
চামচের গর্তে মার্বেল বলে উঠছে চান্দ্রকোষ
এইভাবে ক্রমশ কবিতা থেকে দূরে এসে
কামড়ে খাচ্ছি প্যারালাল টেক্সটের শারীরিক
কবিতা হয়ে উঠেছে ঘর

 

d


মেঘলা ছাদের আড়ালে রসুল
ও মেঘময় শঙ্খচিল
নদী পেড়োচ্ছে অ্যাভান গার্দ
আসাতো মা সাদগামায়া
তমাসো মা জ্যোতির্গামায়া
নশ্বর জিভের হোঁচটে নিরন্ন হাত পেতে আছি

f