এটা না লিখলে কিছুই হচ্ছিল না।
সম্পাদকীয় লিখতে আমার অনীহা। ফাঁকি  দিচ্ছিলাম। অভী ধরে ফেললো।
আসলে কিছু লেখার নেই।
এতো এতো শব্দ চারপাশে। এত সশব্দময়। তাই ভয় হয়।
তবু কথার পিঠে কথা আসে। গত মার্চ মাস থেকে কীরকম একটা যেন বেজন্ম যাপন করছি। যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছি, ততো আর্তনাদ করেছি। মূলতঃ এক প্রকার 'খবর' পরিবেশনের মাধ্যমে।
সোস্যাল মিডিয়া এখনো পর্যন্ত যেহেতু মুফত মিডিয়া, এবং, বহু অর্বাচীন কান পেতে থাকে, সেহেতু সেখানেই বেশী।
সমস্যা সেখানে নয়, বাঙালির প্রাণের ধন 'কবিতা'ও, প্রায় এক প্রকার ওই খবর হয়ে গেছে। যা মূলতঃ এক গুজবের ভাষা। এক রাতের বিকিকিনি।
এট্টু সমাজ, এট্টু অর্থশাস্ত্র, এট্টু ভূগোল, এট্টু ইতিহাস, এট্টু স্ট্রীম অফ..., এট্টু জাতীয়তাবাদ, এট্টু এল ও সি, এট্টু লাকা, এট্টু কালেক্টিভ... এবং এট্টু এবং এট্টু এবং এট্টু  কী নয়!
এখানেই এট্টু অভিমান।
তবে কীসের যেন একটা মনোপলি,  সেটা একদম টুটে ফুটে গেছে।
বিশ্বাস করুন, বগলাকুসুম বার্ষিক শুকতলা বলে কোন পুরস্কার নেই।
তাই বলে যে কাশ ফোটে নি তা নয়। মেলা ফুটেছে। ঘর থেকে দু পা দূরে গিয়ে চলুন ঘরটাকে দেখি।
প্রকৃতি তো রইলোই।
আগমনীও। তবে এ এক অন্য আগমনী।
ধর্মাবতার, মনে রাখবেন।
এর অনন্য সাক্ষী আমরা সবাই। যারা চোখ খুলে রেখেছিলাম, চোখ বুঁজেও।
উল্লাস।