১লা অক্টোবর, ২০২০

কেউ পাতা মাড়িয়ে যাওয়া মৃদু , কেউ মানুষের গন্ধমাখা মানুষ বটে। জ্বরজারি এলে শুয়ে পড়ে নিজেদের ধারণায় । ধারণার অঙ্কে বড্ড নদী নদী ভাব। ভাবের ভেতর দ্বিধা। দ্বিধা কাটিয়ে নিলে সবাই দড়িদড়া ছিঁড়ে ফেলে। আমি মাস্কের ভেতর সাধ্য রাখি। স্যানিটাইজারে সাধ্য রাখি। কেবল ভেন্টিলেশন থেকে যখন আমি শুরু হই তখন আমার ভেতর ঢুকিয়ে ফেলতে পারি ড্রপ ড্রপ সময়, হরিণের ছায়া, বাড়িদের বিলাপ আর একটিই জন্মান্ধ কাচ... আমাদের চক্ষুবিকার
এস সাইরেন
মারীর শব্দদল
নিভে আসা হরিণের ছায়া
ছায়ার ওপর মারীর শ্বাস
ক্যালেণ্ডারপ্রপাত
আমাদের অজানা ক্যালেণ্ডার
একটা এবসার্ড থিয়েটার
ওয়েটিং ফর...
ওয়েটিং ফর ক্যালেণ্ডার


৮ই নভেম্বর, ২০২০

কোন অবস্থানকেই গভীর রেখা বলে মনে হয় না। ঠিক এই কারণেই গা হাত পা মাথা থেকে গড়িয়ে পড়া একটা জ্যামিতিও সঠিক নয়, একটা জ্বলন্ত জ্বলন্ত  ভাব শুধু... গন্ধের হার্টবিট... মাথাভর্তি খোলা পকেট... সামান্য আলোভাষার নকশা...। এইসবই উপুর হয়ে থাকে একটা সদ্য আঁকা রেখার ওপর। বানিয়ে তোলাকে একটা বড় বৃত্ত দেবো নাকি একটা ছোট বিন্দু দেবো এসব ভাবি আর নিজের নাকের ওপর ঘনিয়ে তুলি একটি পরিচয় সংক্রান্ত বৃত্ত কথা। হা হা হাসিটা থেকে এককণা দুই কণা অবস্থান ছিটকে আসে। আর অভ্যেসের ছিলেকাটা মিথ্যেকে কেমন রাত আকাশের মতো দেখায়। এ আকাশ অনেকটা কাত হয়ে থাকে। সব অক্ষরগুলো গড়িয়ে যায়। ঝুলে পড়ে পুরনো মাকড়শার ঘাম। কে কীভাবে বুঝে নেয় শুকতারা... কে জানে। সকাল থেকে রাত থেকে সকাল থেকে রাত...এইসব বানানো উপকথার কোন দিক থাকে না। গালগল্পের ভেতর ওষুধটুকুও মুছে যায়, মুছে যায় কম্পাসের আভাস। বাসি গল্পের থেকে দিনের গন্ধ ওঠে। পুরনো বাক্সের রঙ... রঙের বাক্সের হীনমন্যতা ... বন্ধ জামায় খয়েরি ছাপওয়ালা জীবন... এইই নতুন , নতুন অজুহাত। ঘামে ভেজা রেওয়াজ ,জুড়তে জুড়তে খুলতে খুলতে তীব্র মনোটনি... তীব্র অস্বীকার... তীব্র মাঝরাত... তাকিয়ে আছে, তাকিয়ে আছে ঘরের পর ঘর, জামার পর জামা... বোতাম... সুতো... স্বচ্ছ... স্বচ্ছতর