স্বগত মৃত্যুর পটভূমি নামক ছোটগল্প দিয়ে তাঁর লেখক-জীবন শুরু হয়েছিল। চল্লিশটির মতো গল্প লিখেছেন, উপন্যাস লিখেছেন মাত্র দুটি। পরিশ্রমী লেখক। তিনি বলতেন, আমি ফুলটাইম পাঠক  আর পার্টটাইম লেখক। লেখার জন্য, লেখার মালমশলা সংগ্রহের জন্য, পরিবেশ ও ভাষা নির্বাচন-গ্রহণ করতে তিনি রীতিমতো রক্তপাত ঘটিয়েছেন। বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে এরকম সিরিয়াস লেখক আর নেই। আজ আলোচনার টেবিলে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা। চিলেকোঠার সেপাই পড়ার পরে যখন এই খোয়াবনামা উপন্যাসটি হাতে পেয়েছি কারগিলে তখন যুদ্ধ চলছে। কিন্তু এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর বিচরণ দেশভাগের আশপাশের সময়ে। এটি ইতিহাস-আশ্রিত উপন্যাস। পাতায় পাতায় উঠে এসেছে তেভাগা আন্দোলনের কথা। উঠে এসেছে তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষ, ছেচল্লিশের নির্বাচন,  সাতচল্লিশের দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা আর এসব ঘটনার সামাজিক প্রতিক্রিয়া। দেশভাগের সময়টা উপন্যাসে মুখ্য হলেও লেখক পারদর্শিতার সাথে পলাশীর আম্রকানন থেকে শুরু করে ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন ও ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের মতো ঘটনাগুলো উপন্যাসে প্রাসঙ্গিক করে তুলেছেন। প্রাসঙ্গিক করে তুলেছেন সেসব আন্দোলনের নেতাদেরও। যেমন- ফকির আন্দোলনের নেতা মজনু শাহের অনুসারী মুনশি বায়তুল্লাহ, যিনি ইংরেজদের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। উপন্যাসে প্রথম পাতায় এই বায়তুল্লাহ জীবন্ত হয়ে ওঠেন অলৌকিকভাবে। তমিজ, তমিজের বাপ, কুলসুম, ফুলজান, কাদের, হুরমতুল্লাহ- এরা উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র। চরিত্রগুলোর সন্নিবেশ আর কথোপকথনে সোহরাওয়ার্দী-শেরেবাংলা থেকে শুরু করে ভবানী পাঠক আর ফকির মজনু শাহের মতো ঐতিহাসিক চরিত্র জীবন্ত থেকেছে উপন্যাসজুড়ে। চরিত্রগুলোর প্রধান বিচরণ স্থল স্কাৎলাহার বিল ও তার আশপাশের গ্রাম।
ইতিহাস-আশ্রয়ী উপন্যাসে সাধারণত কাল্পনিক কাহিনি বিন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে ঐতিহাসিক উপাদানগুলো স্থাপন করা হয়। উপন্যাসে সামাজিক উপাদানের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য। কিন্তু 'খোয়াবনামা'য় সেটি হয়ে ওঠেনি। এখানে বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক উপাদানের ফাঁকে ফাঁকে গল্পগুলো আশ্রয় নিয়েছে। গল্পগুলো আশ্রয় পেয়েছে সমসাময়িক রাজনীতি আর সামাজিক বিবর্তন-রেখার প্রান্তিক সীমায়। তাই এ উপন্যাসের গল্পের প্রবাহে অবিচ্ছিন্ন রস নেই। কল্পনাপ্রবণ পাঠকেরা হয়তো এর পতায় পাতায় অবিরাম রোমাঞ্চ পাবেন না। তবে সাধারণের জীবনাচরণ, প্রকৃতি, প্রকৃতির সাথে জীবনের মাখামাখি, কৃষি, বর্গা আর জোতদারির কষাঘাতে জর্জরিত কৃষক, অবিরাম স্বপ্নের ফোয়ারা, স্বপ্নব্যাখ্যার তাড়না আর খোয়াবনামার গূঢ়তা খোয়বনামা উপন্যাসের পাঠককে এক দৈব শক্তিতে আচ্ছন্ন করে রাখে।
উপন্যাসের গাঁথুনিকে ভেঙে ভেঙে সুখপাঠ্য করার কৃত্রিম প্রবণতা নেই। বাক্যগুলো অবিরাম স্রোতের মতো প্রবাহমান। পাঠক উত্তরাঞ্চলের মানুষ না হলে আঞ্চলিক শব্দের দুর্বোধ্যতায় মাঝে মাঝে খেই হারাতে পারেন।এরপরেও এক আবছায়া মোহ পাঠককে বইয়ের শেষ অবধি নিয়ে যায় এবং এখানেই বইটির স্বকীয়তা।
খোয়াবনামা উপন্যাসটিতে তিনি ব্যবহার করেছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের জনগণের মুখের একদম কাছাকাছি ভাষা। শুধু তা-ই নয়, সংলাপে পুরোপুরি  নিয়ে আসেন সেই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কথ্যভাষা। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে যেমন দেখতে পাওয়া যায়।চিলেকোঠার সেপাই যারা পড়েছেন তারা এই উপন্যাসে ভিন্ন ভাষা ব্যবহার দেখে চমকে যেতে পারেন। ইলিয়াসের এই ভাষা ব্যবহার অনেকটা বিদ্রোহের ফসল কেননা নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের সাহিত্যের গতিপ্রকৃতি সংক্রান্ত এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় কলকাতাস্থ বাংলাদেশের হাইকমিশনে। সভাপতি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। বাংলাদেশের অনেক লেখকের মতো আখতারুজ্জামান ইলিয়াসও সেই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। 'বাংলাদেশের উপন্যাসে ভাষা কী হবে' এই বিষয়ের উপর সেখানে তিনি বক্তব্য রাখেন। অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় সেদিন তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাহিত্যের ভাষা হবে বাংলাদেশের জনগণের মুখের ভাষার কাছাকাছি, তাতে পশ্চিম বাংলার চেয়ে বাংলাদেশের উপন্যাসের ভাষা যদি সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়, তবে তাকে অস্বাভাবিকভাবে নেয়ার অবকাশ নেই।  সেদিন সন্ধ্যায় এক অভিজাত হোটেলে সেমিনারে অংশগ্রহণকারী লেখকদের ডিনারে নিমন্ত্রণ করে দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। কিন্তু সেখানে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে নিমন্ত্রণ করা হয়নি। মনে করা হয় ঐ বক্তৃতা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি আনন্দবাজার। সেই ক্ষোভ থেকেই সম্ভবত আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনা করেন তার বিখ্যাত 'খোয়াবনামা' উপন্যাস।
প্রতিটি প্রতিবাদই নতুন দিগন্তের দ্বার খোলে,তৈরি হয় নতুন ভাষা ও রীতি, এই উপন্যাস যদি প্রতিবাদ হয় তাহলে এখানেও থাকবে নতুন কিছু কিন্তু পদ্মানদীর মাঝিতে যে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার দেখেছি এখানেও তেমনি, তবে নতুনত্ব কি দিলেন ইলিয়াস? এই উপন্যাসের নতুন দিগন্ত এই উপন্যাসটিতে আখতারুজ্জামান ঠিক যেন ম্যাজিকের মতোই রচনা করেছেন কবিতা। প্রতিটি শব্দ পাঠককে মুগ্ধ করে, নিয়ে যায় যেন অন্য কোনো পৃথিবীতে। এর সঙ্গে রয়েছে স্বপ্ন। আখতারুজ্জামান গবেষক পথিক ঘোষের ভাষায় – ‘His use of the khoyab (dreams) trope to depict myths is meant to accomplish exactly that. He shows ‘Tameejer Baap’, a key character in the novel, encounters these fables in his dreams, thereby transforming those fictions into a reality of their own.’
গোটা উপন্যাসে বিচরণ করেছে মিথ, বিচরণ করেছে নানা লোককথা আর রয়েছে জ্যোৎস্না। প্রকৃতপক্ষে চাঁদ আর জ্যোৎস্না এই গল্পের লেটমোটিফ – এতোবার ফিরে ফিরে এসেছে ম্যাজিকের মতো যেন, সমগ্র উপন্যাসে এক অতিপ্রাকৃত, সুররিয়ালিস্ট কিংবা ম্যাজিক রিয়েলিজমের ব্যবহার গল্পের কাঠামোকে যেন এক সুদৃঢ় কশেরুকা প্রদান করেছে। স্বপ্নের এই জগতে সবই বাস্তব মনে হয়। স্বপ্ন আর বাস্তব দুই পরস্পরবিরোধী না হয়ে পরস্পরনির্ভর এবং পরস্পর intermingled। কয়েকটা উদাহরণেই ধরা পড়ে এই চাঁদের বর্ণনা, এই জ্যোৎস্নার সর্বব্যাপী প্রশান্ত বিসত্মার। ‘বাইরে চাঁদের আলোয় উঠানে বসে হুঁকা টানছিল তমিজ। তামাকের ধোঁয়ায় নেশায় মাতাল জ্যোৎস্নার অনেকটাই খোলা দরজা পেয়ে ঘোরের ভেতরে ঢুকে কালচে লাল আলোতে হলুদ রং মিশিয়ে দেওয়ায় কুলসুমের মাথাটা হয়তো একটু ঘুরেই গেছিল।’ বা অন্যত্র পাই, ‘এখন তমিজের সামনে এই অন্ধকারে কুপির আলো থেকে হলদে জ্যোৎস্না ঝরতে শুরু করে। সেই জ্যোৎস্নায় ডুবুডুবু ধানক্ষেতের পাশে সরু আল, সরু আলের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা জমাটবাঁধা জ্যোৎস্নাকে ছুঁতে গেলে সে সরে যায় মেঘের দিঘির ওদিকে, তমিজ তাকে ধরতে সেদিকে যেতেই সেই জমানো জ্যোৎস্না উড়াল দেয় মসের দিঘির ওপর, দিঘির গোলাপি পানির আভায় তার কালো মুখের ছায়া।’ এমন বর্ননা তো জীবনানন্দ কিংবা বিনয় মজুমদারে পাই এ তো বাংলার গদ্য ভাষা নয়!
উপন্যাসে যে ডিটেইলিংয়ের কথা বলা হয়, তারও একটা মাত্রা আছে। মাত্রা ছাড়া হলে উপন্যাস ঝুলে পড়ে। উপন্যাসের শব্দ ব্যবহারেরও একটা মাত্রা আছে। কিংবা একটি বাক্যের মধ্যে যদি একই শব্দ দু-বারের বেশি উল্লেখ করা হয়, বাক্যটি দুর্বল হয়ে পড়ে। একইভাবে পরিমিত বোধের ও একটা মাত্রা আছে। উপন্যাসে কাব্য উপস্থাপনের জন্য দরকার শিল্পিত ভাষা, শিল্পিত শব্দ; যেহেতু উপন্যাস একটি শিল্পকর্ম। ভাষাই হচ্ছে ঔপন্যাসিকের শক্তি। আমাদের দৈনন্দিন জীবন কিন্তু শিল্পিত নয়, আমরা শিল্পিত জীবনযাপন করি না। আমাদের জীবনটাকে যখন শিল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চাই, তার উপস্থাপনাও হবে শিল্পিত, তার ভাষাও হবে শৈল্পিক। এর ব্যত্যয় ঘটলে সেটা আর যাই হোক, শিল্প নয়।
খোয়াবনামা উপন্যাস হলেও মনে হবে ইতিহাস-সঞ্চারিত পথে অভিযাত্রার অন্তিমে লেখক দেখতে পান উত্তরণের শিখরলোক, অনুভব করেন সূর্যের ঔজ্জ্বল্য। তাই সমকালীন ধস উত্তরণের আকাঙক্ষায় ইতিহাসকে আঁকড়ে ধরে তিনি পাড়ি দিতে চান সময়ের পথ। লেখকের এই অন্তর্গত বিশ্বাসটা ধরা দিয়েছে এই শব্দরেখায় – ‘‘মরিচ ক্ষেতে ঢুকে জ্যোৎস্না হয়ে গেছে হলদেটে সবুজ।’ তমিজের বাপ মরে যাওয়ার পর তার যুবতী বউ ভাবে, ‘সাত মাস্যার পোয়াতির মতো ভরা ভরা চাঁদটা যদি দশদিন আগে এমনি থাকে তো মানুষটা কি বিলের ধারে দলদলায় অমনি করে গড়িয়ে পড়ে?’ ফুলজান যখন ভাত চাওয়ার জন্য তার মেয়ের পিঠে কয়েকটা কিল বসিয়ে দেয়, তার মেয়ে যেন নালিশ করে তমিজের মরে যাওয়া বাপের কাছে, ‘দেখো মা মারে।’ তখন দিগন্তরেখায় আসমান থেকে চাঁদ ঝোলে, চাঁদের বর্ণ হয়ে গেছে কালচে লাল, চাঁদের সর্বাঙ্গে কালচে লাল দাগ। ভয় হয় তার, তেভাগা-আন্দোলনে পুলিশের গুলি খেয়ে তমিজ চাঁদের ওপর চড়ে বসেনি তো! সেখানে দাঁড়িয়ে তার মেয়ে সখিনা বলে, ‘মা হেঁসেলেতে ভাত চড়াচ্ছে।’ ফুলজান স্পষ্ট দেখে চাঁদের ওপর জোনাকির জ্বালে জ্বালে সেদ্ধ হচ্ছে আউশের রাঙা চাল। তবে কি চোরাবালিতে ডুবে মরা তার শ্বশুর ভাত রান্না করছে? সেখানে কৃষ্ণপক্ষের সেই রাতে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তার মেয়ের মাথায় বিজবিজ করে তমিজের বাপ ঢুকিয়ে দিচ্ছে মুনসির কাছে পাওয়া শোলক।’’
বই শেষ করার পরও পাঠক ধন্দে – নায়কই বা কে আর প্রতিনায়কই বা কে। এখানেই ইলিয়াসের সার্থকতা। কবিতায় সব ঘটনার ব্যবচ্ছেদে নায়ক এবং প্রতিনায়ক পাওয়া যায় কি? কখনো কি কোনো সুস্পষ্ট বিভাজক টানা যায়? বরং বেশিরভাগ সময়ে আমরা পাই এক অস্বচ্ছ ক্যানভাস, যেখানে সব রং মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে। বইটি কি ইতিহাস, না রাজনীতির? নাকি সামাজিক ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি? আগেই বলেছি যে, জীবনানন্দ বা বিনয় মজুমদারের ধারায় চোরাস্রোত থাকে রাজনীতির, থাকে শোষণের আর থাকে সামাজিক বৈষম্য। সেই মুনসিকে দেখার আশায় পথ হেঁটে চলে তমিজের বাপ। এই ফ্যান্টাসি চরিত্রের সন্ধানে ঘুমের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে তমিজের বাপ পড়ে যায় চোরাবালিতে – তলিয়ে যায় সে। মরার আগে সে দেখতে পায় মুনসিকে। আর দেখতে পায় পুড়ে-যাওয়া পাকুড়গাছ। চোরাবালিতে সেঁধিয়ে যায় নামহীন, পরিচয়হীন কত তমিজের বাপ দুবেলা পেটভরে ভাত খাবার স্বপ্ন দেখতে দেখতে। এখানে লক্ষণীয় যে, তমিজের বাপের কোনো আইডেন্টিটি নেই, সে স্বপ্ন আহরণ করতে ব্যস্ত – ভালো করে ভাত খাবার স্বপ্ন। বাংলার দরিদ্র কপর্দকশূন্য কৃষকশ্রেণি ফসল ফলিয়েও মারা যায় দুমুঠো ভাতের স্বপ্ন দেখতে দেখতে। কিন্তু তার উত্তরাধিকারী সখিনার আইডেন্টিটি আছে। এই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের যাবতীয় জ্ঞান, সংস্কার ও সর্বোপরি এক নতুন পৃথিবীর হসত্মান্তর; ঠিক এই ছবি আমরা পাই বনলতা সেন কিংবা চাকা কবিতায় ,স্বাধীনতা-উত্তর তৃতীয় বিশ্বের কৃষিজীবী গ্রামবাসীর যেমন ছিল না কোনো আইডেন্টিটি। আখতারুজ্জামান নিজেই বলছেন, ‘প্রত্যেক গ্রামগুলোতে একটা না একটা মিথ আছে, ভূত কিংবা জিন থাকে। সেটা আমি বিশ্বাস করি কি না করি তাতে কিছু যায়-আসে না। আমি তো ইতিহাস লিখতে বসিনি। যদি এটা বেশি বাস্তব হয়ে থাকে, এটা জীবনেরই একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের জীবন তো স্বপ্নের মধ্য দিয়েই কাটছে।’ (প্রতিবেশী সাহিত্য, জুন ১৯৯৬)।
খোয়াবনামায় অনুপ্রবেশের নানামাত্রিক পথ আবিষ্কার করা সম্ভব। তাঁর লেখার অন্ধকার ধরে এগিয়ে গেলে পাওয়া যাবে একটা প্রশস্ত পথ, চিত্ররূপময়তা নিয়ে অগ্রসর হলেও পাওয়া যাবে একটা স্বতন্ত্র রাজপথ। তবে বিবেচনা করি, দৃঢ়ভাবে, বিশ্লেষিত ত্রিপথের অভিযাত্রী হলে অবলীলায় অনুপ্রবেশ করা যাবে আখতারুজ্জামানের খোয়াবনামায়।