'য়া দশক



ব্লগ

পরিমিত ফ্রী-ডেটাসহ ঝাঁকিয়ে নেওয়া প্যান্ডেমিক

অভিজিৎ মজুমদার



13 May at 23:32

গায়িকা যখন দেখবে, তার সদ্য আপলোডেড গানের ভিডিওয় আটটা ভিউ, কিন্তু উনিশটা লাভ রিয়‍্যাক্ট, কী ভাববে সে!
এরকম কত ইনকনসিস্টেনসির দলিল আমি তৈরী করে রাখছি, স্বচক্ষে দেখা ইনকনসিস্টেনসি সব; এতে দুর্নাম হয় আমার, হোক গে, এও তো সোসাইটি, হোক না তা ভার্চুয়াল; তোমার বর্ম তুমি ভাঙ্গ হায় / লোকে ভাবে ভাঙ্গি আমি।
গতপরশু দেখলাম - এক দাদা তৎসম শব্দ ঠুসে ঝরঝরে গদ্য নামিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে টপ অনুরাগী ভাই হাজির, এবারে সে দাদার প্রশংসা করবে, কিন্তু ভালো ভালো চমকিলা সব বিশেষণ আগেই লিখে ফেলেছে, এখন তাহলে নতুন কী লেখা যায়! তখন ভাই খুব মাথা খাটিয়েছে, খাটিয়ে অনেক ভেবে কমেন্টে লিখেছে - দাদা আপনি মানুষ না।


2 May at 19:57

সত্যজিতের জন্মদিন বলে বাঁচোয়া, ঋত্বিকের জন্মদিনে 'ভাবা প্র্যাকটিস' করে মাসল্ পেইন হয়।


29 April at 10:35

সেই ভোর থেকে ফেসবুকে যা যা দেখলাম -

◆  একটা বেড়াল পেঁপে পাড়ার চেষ্টা করছে (৮৯বার)

◆  ইন্সট্রুমেন্ট বাজিয়ে, বিভিন্ন সাহসী লোকজন গান গাইছে (৪৮৬বার)

◆ বিভিন্ন সাহসী লোকজন খালি গলায় গান গাইছে (২৩৫বার)

◆ 'ভালো কয়েকটা থ্রিলার মুভির নাম সাজেস্ট করুন'- লেখা উস্কানিমূলক পোস্ট (৬৪৪বার)

◆ 'cooked by me, assisted by Maa'' -  ক্যাপশনসহ খাবারের ছবি (১২৩৩টি)

◆ 'এখন রাত্তির আড়াইটে বাজে, স্টিল জেগে আছি' - লেখা পোস্ট (৯৪টি)

◆ 'সেরে ওঠো আমার শহর' - ক্যাপশনসহ ধাপার মাঠের ভিডিও (৮৭বার)

◆ 'লকডাউনে আমার অবস্থা'- ক্যাপশনসহ মাতালের উদ্দাম নৃত্যের ভিডিও (৬৬বার)

◆ নেটফলিক্সের ভিডিও ক্লিপের ব্যাকগ্রাউন্ডে অনুপমের গান লাগানো ভিডিও (১৪২৩বার)

◆ নিজের তোলা, দ্বিতীয় হুগলি সেতু আর ময়দানের টাট্টু ঘোড়ার ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট ছবির কোলাজের ব্যাকগ্রাউন্ডে সত্যজিতের মিউজিক লাগানো ভিডিও (৫৬বার)

◆ 'কফি খায় বোকাচোদারা, চা হল আসল প্রেম' - ক্যাপশনসহ জানালার পাশে রাখা চায়ের কাপের ছবি (৮৮টি)

◆ 'আমার কোয়ারান্টাইন' - ক্যাপশনসহ বইয়ের পাশে হেডফোন ও ল্যাপটপ রাখা বিছানার চাদরের ছবি (১৬৪টি)

◆ কোভিড19 - এর শরীরে থাকা প্রোটিনের বায়োকেমিক্যাল স্ট্রাকচার নিয়ে আর্টস গ্র্যাজুয়েটের আবেগমথিত প্রবন্ধ (১৪৬টি)


24 April at 21:00

জনপ্রিয় বাঙালি নায়িকা। বই খুলে কবিতা পাঠ করছে, ভিডিও পোস্ট করেছে। মিউট করে, দেখলাম কিছুক্ষণ। কমেন্টে চোখ পড়ল। একজন লিখেছে, রবীন্দ্রনাথের 'এক বিঘা জমি'-টা আমার প্রিয়, সময় করে ওটা পড়বেন একদিন। অন্য আরেকজন লিখেছে, ওটা 'দুই বিঘা জমি', এক বিঘা নয়।
প্ৰথমজন তখন রিপ্লাই করেছে, ভুল করে লিখেছি, বেশি হিরোগিরি করতে হবে না পাবলিকের সামনে।


26 April at 23:37

'দান্তেস পিক' নামে একটা হলিউড ফিল্ম ছিল। ওতে, একটা সিনে, ভলকেনো এরাপ্ট করছে দেখে একজন ভয়ে, বিস্ময়ে বলছে, হোয়াট দ্য ফাক।
পরে, হিন্দি ডাবড হয়ে রিলিজ করার পরে, এই ফিল্মটা আবার দেখতে নিয়ে গেল এক বন্ধু। দেখতে দেখতে একসময়, ওপরে উল্লিখিত দৃশ্যটা এলো, ওরকম ভলকেনো এরাপ্ট করছে ভয়ঙ্করভাবে। হোয়াট দ্য ফাক - বলেছিল যে লোকটা, সে, হিন্দি ভার্সনটায়, ভয়ার্ত মুখে, এতবড় হাঁ করে বললো - হে ঈশ্বর।


15th april at 15:37

ব্রাউনের কতগুলো শেড দেখেছেন! আমি নিজে, দশটা শেড দেখেছি গতপরশু। পান্তুয়া (গোলাপজামও হতে পারে) বানিয়েছে একজন নিজের হাতে। দশটা বানিয়েছে (দু'বার গুনেছি)। ছবি দিয়েছিল। সেই লকডাউন-মিষ্টান্নের ছবিতেই দেখলাম, ব্রাউনের দশটা ভিন্ন ভিন্ন শেড। যেন, দশটা একই সাথে একই টাইম অ্যান্ড স্পেসে বানায়নি। প্রত্যেকটা পান্তুয়া (গোলাপজামও হতে পারে) যেন একটা একটা করে ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়ে বানিয়েছে। যদি অধ্যবসায় থাকে, তাহলে,ওই দশটি পান্তুয়াকে (গোলাপজামও হতে পারে) স্টাডি করে পান্তুয়ার (কিংবা গোলাপজামের) বিবর্তনের ধারাবাহিক ইতিবৃত্ত (সচিত্র) লিখে ফেলা শক্ত নয়।


17 April at 15:12

অনুপমকে বাজারে যেতে হচ্ছে না, ওর ফ্রিজে যে শুকনো পেঁয়াজকলি আছে, সেগুলো ওবেলার ডাল-ভাত দিয়ে মেরে দিচ্ছে।


29 March at 23:54

শেক্সপীয়ার অত করে বললেন, বিওয়‍্যার দ্য আইডস অব মার্চ। আর আমরা ঋতুপর্ণর 'মেমোরিজ ইন মার্চ' দেখে বসে থাকলাম। সমস্যা তো হবেই।


23 March at 11:43

একী! একী করছেন! বাড়িতে যিনি কাজ করে সাহায্য করেন, তাঁকে ছুটি দিলাম ইত্যাদি বলে ভুল করছেন, ওটা আউট অব ফ্যাশন হয়ে গেছে ছিয়ানব্বই ঘন্টা আগে। লিখুন, আট বছর পরে নিজের হাতে চা করলাম, স্কুলের গো অ্যাজ ইউ লাইক-এর পরে এই প্রথমবার ঝাড়ু দিলাম বা যে হাতে গীতবিতান ধরি, সেই হাতে নিজের জাঙ্গিয়া কাচলাম। এগুলিই ইন-থিং। করলে প্রপারলি এন্টারটেইন করুন। অনেক আশা নিয়ে বাড়িতে বসে আছি। হতাশ করবেন না।


22 March at 21:22

পুলিশ এসেছে। গাড়িতে বড় করে লেখা, পুলিশ। ইন্ডিকেটর জ্বলছে নিভছে। ইঞ্জিনের গুরগুরানি। মদ মাথায় উঠে গেছে। লাইনটা ভেঙ্গে গেল। ভীড় পাতলা। পাতলাতর। তারপর টুইস্ট। অফিসার নামেনি। ড্রাইভার নেমে কাউন্টারে। ভুল ভেঙ্গেছে ভীড়ের। পুলিশও স্টক তুলছে। জনতা ফিরে আসছে। গুটি গুটি। প্রশাসনের প্রতি ফিরছে আস্থা। পুলিশের মানবিক মুখে মদের গন্ধ নেই।


21 March 15:30

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্থগিত হয়ে গেল। বেচারী সোনম কাপুরটার জন্য খারাপ লাগছে। লরিয়েলের জন্যও।


19 March at 20:59

রাস্তা দিয়ে একটা নোভেল কোরোনা যাচ্ছিল। যেই হাততালি দিলাম, ওমনি, পালানোর পথ পাচ্ছে না। কাওয়ার্ড শালা।


18 March at 23:13

মনিরুল : সবকটা ভাইরাসকে পায়ের তল দিয়ে পিষে মারব।

জয়প্রকাশ : এই এই, পা তুলে না। পা তুলে না। পা তুলে কথা বলবেন না।

সুজন : পায়ের তো দরকারই নেই। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রীটের বাড়িতে তো এস্কেলেটর আছে। ভাইরাস তো ওটা বেয়েই ওপরে উঠে যাবে।

পার্থ : ওপরে ওঠার কথা আপনাদের মুখে মানায় না। নামতে নামতে তো সাত-এ চলে এসেছেন।

নবারুণ : সাত সাত হাই ফাই। সাত সাত হাই ফাই।

সৃজিত :  উঁহু উঁহু। হাই ফাই না। আমার পরের ছবি সাই ফাই। কোরিয়া থেকে ডিভিডি আনিয়েছি। আফ্রিকায় লোকেশন।

মন্দার বোস : নিজের দেশে বাল ছিঁড়তে পারে না, আবার আফ্রিকা!

সুমন দে : কেস দেবেন না প্লীজ। কেস দেবেন না প্লীজ।

মদন : কেস! কেস মানে! আপনি কি ড্রিঙ্ক এন্ড ড্রাইভের কেসের কথা বলে আমায় ঠুকলেন!

দিলীপ : আহা, চটবেন না। এই ফাঁকে ড্রিঙ্ক করার নতুন টিপস দিয়ে দিচ্ছি, রামের সাথে গো-মূত্র খেয়ে দেখুন, দার্জিলিংয়ের হাইটে উঠে গিয়েও ঘামবেন। টান্টু জিনিস।

গান্ডু : এই রিক্সা, অত হাইট থেকে পড়ে গেলে মরে যাব না তো!

কবীর সুমন : নো রিক্সা। ওনলি বাস। মিনি মিনি বাস বাস। মিনি বাসে চড়ে নিকারাগুয়া যাব।

শর্মিলা ঠাকুর : মিনি আমার দিদি। কাবুলিওয়ালার
খোঁকি আমার দিদি।

সৌমিত্র : আবার দিদি টিদি কেন! চলো, শুধু আমরা দুজনে জঙ্গলে গিয়ে মেমোরি গেম খেলি।  

রঞ্জন বন্দ্যো : আহা! এতক্ষণে পার্টিসিপেট করার মতো একটা টপিক পেলাম। আমিও যাব। জঙ্গলে বসে সুইসাইড নোট লিখব।

রবীন্দ্রনাথ : আই অপোজ। এই কেচ্ছাবাজটাকে কে ঢুকতে দিল!

রোদ্দুর : হিঃ হিঃ হিঃ। কী খবর স্যর, ভালো তো! যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু / ফাটাইছে তব...

ফেবু সেলেব : এই শুয়োরের বাচ্চাটা অশ্লীল কথা বলে। একে আমাদের হাতে তুলে দিন, গাঁড় মেরে ছেড়ে দেব।

গর্গ : গাঁড়, সাম্রাজ্যবাদী হিন্দী শব্দ। হিন্দী বললে হামলা পক্ষ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। উই ওয়ান্ট বাংলা।

জীবনানন্দ : বাংলার খুক আমি শুনিয়াছি / পৃথিবীর কাশি শুনিতে চাহি না আর

বেলেঘাটা আইডি : ....See More


17 March at 19:56

নাইন্টিজে অধিকাংশ হিন্দী ফিল্মে থাকত এক অমোঘ সং সিকোয়েন্স, যেখানে, নায়িকার বিয়ে বা এনগেজমেন্ট বা জন্মদিনের পার্টিতে বিনা আমন্ত্রণ ও নোটিশে অবিকল বালাকোট স্ট্রাইকের স্টাইলে ঢুকে পড়ত আমির খান বা রনিত রয়ের মতো নায়করা, এবং শুধু অনুপ্রবেশ করেই তারা ক্ষান্ত হোতো না, সেই আসরে ঢুকেই মওকা বুঝে তারা গান ধরতো কুমার শানুর কন্ঠে, তদুপরি, নাদিম-শ্রাবণ তেড়ে বাজিয়ে চলতো বেহালা, তারপর সেই গান গাইতে গাইতে নায়কের সে কী তড়পানি, এদিকে নায়িকার জাঁদরেল বাবার অবস্থা তখন টোট্যাল ইমরান খান, ওদিকে নায়িকা স্টীমড মোমোর মতো মুখ করে ফ্যালফ্যাল চাহনি দিতে ব্যস্ত, এতেই শেষ নয়, ঘটনা আরও আছে, যেহেতু আমরা রামায়ণ পড়া জাতি, তাই, সেই পার্টিতে উপস্থিত থাকবেই নায়িকার ঘরশত্রু বিভীষণমার্কা কাকা বা মামা, যে কিনা নায়িকার বাবার কাটা ঘায়ে লবনযুক্ত টুথপেস্টের ছিটে দিয়ে নায়কের পক্ষ নিয়ে তার গাওয়া গানে তাল ঠুকে ঠুকে হেবি এনজয় করবে, এবং একসময় সে কেবল তাল ঠুকেই আর স্যাটিসফায়েড হবে না, পার্টিতে উপস্থিত সমস্ত অতিথিকে মুখ্যমন্ত্রীর কায়দায় সে অনুপ্রাণিত করবে গানের তালে তালে নাচতে (এই ধরণের সকল নৃত্যকে মধ্যবিত্ত বাঙালি 'বল-ডান্স' নামে ডাকে) , তা দেখে নায়ক আরও চেগে যাবে, নায়ক ভুলে যাবে যে, তাকে নেমন্তন্ন করাই হয়নি, এমনকি এটাও ভুলে যাবে যে, সে গিফ্টও আনেনি, তাই, সে গান গাইতে গাইতে বার-কাউন্টার থেকে স্কচের একটা গোটা বোতল ফট করে তুলে নেবে, তারপর গ্লাসের পরোয়া না করেই সরাসরি বোতলে ঠোঁট ঠেকিয়ে হানি সিংয়ের মতো চোঁ করে অনেকটা মদ খেয়ে নেবে (ফিল্মের ককটেল পার্টিতে আসা সাংবাদিকরা ফ্রী-মদ পেলে যেমন করে আর কী), আর, ভারতীয় সিনেমায় যেহেতু ঠোঁটে মদ ছোয়াঁনোমাত্র স্যাট করে নেশা হয়ে যায়, তাই, সাড়ে চৌষট্টি ফ্রেমেই নায়ক নেশায় হুব্বা হয়ে যাবে আর হাতে ধরা আধভর্তি স্কচের বোতল আছড়ে ভেঙ্গে ফেলবে, মানে, স্পর্ধাটা জাস্ট ভাবুন একবার, নায়ক তো নয়, যেন ফেবু-সেলেব, অবাঞ্ছিত অনুপ্রবেশকারীর এতটা অডাসিটি দেখানোর উদাহরণ ইতিহাসে খুব কম আছে। তো, এই যে এত বড় ভূমিকা করলাম, তার কারণ, আমার সাথে সম্পূর্ণভাবে সম্পর্কহীন পোস্টে আমার পুরোপুরি অচেনা যাঁরা আমায় ট্যাগ করে দেন, তাঁদের দেখলে আমার মনে পড়ে নাইন্টিজের এই সং সিকোয়েন্সগুলি, অবধারিতভাবে। নস্ট্যালজিক হয়ে পড়ি।

** একবছর আগের পোস্ট। তবুও, গত পরশু সম্পূর্ণ অচেনা একজন তাঁর বিয়েবাড়ি যাওয়ার পোস্টে ট্যাগ করেছেন আমায়।

 

17 March at 08:39

ছায়া প্রকাশনী পড়া বাঙালি ডিরেক্টরের ফিল্মে ড্রোন-শট থাকে।
রে এন্ড মার্টিন পড়া বাঙালি ডিরেক্টরের ফিল্মে থাকে জাম্প-কাট।


13 March at 22:36

বিকশিত প্রীতিকুসুম লিক্যুইড, কারণ, ডিম হাফ-বয়েলড।


15 Feb at 20:12

কনটেম্পোরারি বাংলা সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে, যখন কোনও চরিত্রের মুখে ইংরেজি গুঁজে দেওয়া হয়, খুব হাসি পায়! তা হলে, সেসব ইংরেজি বাক্যগুলির বদলে নিম্নলিখিত বাংলা অভিব্যক্তিগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে -

◆ হোয়াট দ্য হেল ইজ গোয়িং অন!
  (এতটা বরবটি কিনলে কেন!)

◆ আর ইউ ফাকিং কিডিং মি!
   (রোজ কাচা জাঙ্গিয়া পরবে।)

◆ মেনি মেনি হ্যাপী রিটার্নস অফ দ্য ডে।
   (মাসিমা, মালপো খামু।)

◆ লেটস্ হ্যাং-আউট।
  (পেঁয়াজ দামী বলে, খেয়ে ব্রাশ করনি!)

◆ উই নীড টু টক।
  (চলো, অর্ণব গোস্বামীর টক-শো দেখি।)

◆ গেট দ্য হেল আউট অব হিয়ার।
  (আসাম ফর আসামিজ। বিহার ফর বিহারীজ। {এটার খাঁটি বাংলা হয় না।})

টেট-এর মেধা তালিকার মতো, এটুকুই ফার্স্ট-লিস্ট, আপাতত।


22 Feb at 13:48

হাতে রইল পেন্সিল হিল। সাবরমতী আশ্রমের প্রবেশ পথ নরম মাটির তৈরী। মেলানিয়া ট্রাম্পের সূচালো হাই হিল নাকি গেঁথে যেতে পারে তাতে। উনি গান্ধীজীর আশ্রম ভিজিটের কর্মসূচী বাতিল করে দিচ্ছিলেন তাই। নরম মাটি সমস্যাজনক বটে। তবে, কখনও কখনও কাজেরও। বড়মামা মাছ ধরতো। মাছের চার ছিল ছোট ছোট কেঁচো। নরম মাটি অল্প খুঁড়লেই পাওয়া যেত। একবার সঙ্গে করে নিয়ে গেছিল আমাকে। দেখেছিলাম। বড়মামার কয়েকটি কীর্তি আছে। একবার শিবরাত্রির দিন সিদ্ধি খেয়ে নিজের বাড়ি চিনতে পারেনি। চার-পাঁচবার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু, চিনতে পারছে না। বন্ধুর বাড়ি চিনতে পেরেছিল। তার বাড়িতে উপস্থিত হয়। বন্ধু পৌঁছে দিয়েছিল বাড়িতে। আরেকবার, ষোল-সতের বছর বয়সে, বড়মামা মাছ ধরতে গেছে। রাস্তায় বিরাট মারপিট হচ্ছে। হৈ-চৈ শুনে ছিপ টিপ ফেলে রেখে বাড়ি চলে এসেছে। এসে বলছে, আমি ভেবেছি নেতাজী ফিরে এসেছে।
আমি বাঙালি। গান্ধীজীর কথা ওঠামাত্র টুক করে নেতাজী প্রসঙ্গে চলে আসবই। নোবডি ক্যান স্টপ মি।

 





অভিজিৎ মজুমদার

অভিজিৎ মজুমদার

 অভিজিৎ মজুমদার টেলিভিশন ও বিজ্ঞাপনের জন্য ফিল্ম বানায়। বসত কলকাতায়।
ফেসবুকে নিজের নাম লিখে রেখেছে - Abhi Abhijit Majumder

abhijit02.aries@gmail.com

 






To post comments Sign Up


Comments


×

CONTACT

RAJARSHI CHATTOPADHYAY (EDITOR)

289, ASHOKEGAR

PURNIMA VILLA

1ST FLOOR

KOLKATA – 700108

Copyright © 2019 www.nayadashak.co.in
A Literary Venture of Naya Dashak (S/SC NO.26851 of 2014-2015)