'য়া দশক



আমাদের অনলাইন লাইব্রেরী / গ্রন্থাগার



জাগরীঃ সতীনাথ ভাদুড়ী


সতীনাথ ভাদুড়ীর আত্মজৈবনিক এই উপন্যাসটি শুধুমাত্র ৪২-এর অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এক ঐতিহাসিক দলিল নয়, একইসাথে এর সাহিত্যগুণও পাঠকের মনকে নাড়া দিয়ে যায়। উপন্যাসটি গোটাটাই ব্যাকরণগত দিক থেকে প্রথম পুরুষ নির্ভর, অথচ সেই প্রথম পুরুষের চরিত্রটি বদলে বদলে যায়। ফলে, সেই চারটি পৃথক চরিত্রের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিলুর ফাঁসীর মত একটি নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ উপন্যাসটিকে এক অন্য মাত্রা দেয়। একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে ‘জাগরী’ বাংলা ভাষায় লেখা বিভিন্ন রাজনৈতিক উপন্যাসগুলির মধ্যে অন্যতম।

লিঙ্ক




অক্ষয় মালবেরি : মণীন্দ্র গুপ্ত


স্মৃতিকথামাত্রই অতীতগামী। এক নস্টালজিক মায়াসরণি বেয়ে সে যেন আমাদের নিয়ে যায় কোন এক অস্পষ্ট কুয়াশাঘেরা অঞ্চলে। মোহাচ্ছন্নের মতো আমরা ফিরতে থাকি শিকড়ের কাছে। মণীন্দ্র গুপ্তের ‘অক্ষয় মালবেরি’ পড়ে শিকড়ের কাছে ফিরবার এমনই এক অমোঘ টান বুকের গভীরে অনুভব করা যায়। “সেই বয়সে, আমি এতো স্পষ্ট করে বুঝি না, শুধু বোধের গোধুলিতে দ্বিতীয়ার চাঁদের ধূসর সোনার আবছামতো রেখায় কত লেখা পড়ে। মন সুখ আর বিষাদে দুভাগ হয়ে চির হয়ে যায়। অনুভূতির চাপে আমি জলের মধ্যে মাছের মতো স্থির হয়ে ডুবতে থাকি, আবার কখনো আকুবাঁকু করে উঠি-মহামৎসের মতো ঘাঁই মারতে চাই অনন্তে।“ এমনি সাবলীল ভাষায় লেখা, অত্যন্ত সুখপাঠ্য এই ‘অক্ষয় মালবেরি’ বাংলা সাহিত্যের এক অক্ষয় সম্পদ।

পিডিএফ ফাইল




প্রণবেন্দু দাশগুপ্তের শ্রেষ্ঠ কবিতা


বিশ শতকের পাঁচের দশকে যাঁরা কবিতায় নিজস্ব লেখালেখি শুরু করেন, তাঁদের মধ্যে সুনীল-শঙ্খ-শক্তি ও আরো বেশ কিছু কবির সাথে প্রণবেন্দু দাশগুপ্তও অন্যতম একটি নাম। মৃদু স্বরে তাঁর উচ্চারণ, কখন ভয়, কখনো বা কিছুটা বিষণ্ণ; অথচ স্বতন্ত্র ! “ ভাঙ্গা ঘরে, মস্ত একটা হাওয়ায়, মানুষ কাঁপছে; একটা হাত পাশের মানুষীকে ধরে আছে, আরেকটা হাত কোথায় রাখবে – বুঝতে পারছে না, পায়রা এসে বসেছে নিমগাছে।“ আদ্যোপান্ত রোমান্টিক কবি অত্যন্ত আটপৌরে, সহজ সরল ভাষায় জীবনের গল্প লিখে যান কবিতার ছত্রে ছত্রে। কোথাও কোন জটিলতার আবর্ত তাঁর কবিতাকে ছুঁতে পারে না। সহজ ভাষার যাদুতে তিনি তাঁর পাঠকদের আবিষ্ট করে রাখেন। তাঁর এই ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ সংকলনে আটটি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ থেকে কবি নিজেই তাঁর পছন্দের কবিতাগুলি নির্বাচন করেছেন।

পিডিএফ ফাইল




প্রবীর দাশগুপ্তের কবিতা


“কিছু না হারিয়ে তুমি কাউকে কিচ্ছু দেবে না/ সেও খুব ভুল দেওয়া,” অথবা “জোট ও সম্ভোগের পর শোক নাকি শস্যের ওয়াগন ”… আশির দশকে যে কবি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র এক স্টাইলে লিখে গেছেন এইসব কবিতার পংক্তি , তিনি কবি প্রবীর দাশগুপ্ত। তার কবিতাপাঠে এমন এক আবেশ তৈরি হয় যে তারপর আর মানুষের ভিড় ভালো লাগে না, একা হতে ইচ্ছে করে। ‘একা একা মানুষের নিথর উঠোনে বসে’ এই উদাসীন কবির অনুভূতি ভাগ করে নিতে সাধ হয়।

পিডিএফ ফাইল




জগদীশ গুপ্ত রচনাবলী, প্রথম খন্ড


জগদীশ গুপ্তের সাহিত্যরচনার সময়কাল মোটামুটি গত শতাব্দীর প্রথমার্ধ বলা যেতে পারে। তাঁর লেখকজীবনে তিনি কবিতা, নাটক, গল্প বা উপন্যাস ইত্যাদি সব ধরণের লেখা লিখলেও বাংলাভাষায় ছোটগল্পকার হিসেবে এক স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করার সুবাদে তিনি বাংলাসাহিত্যের পাঠকসমাজে সুপরিচিত। প্রথম খণ্ডে রয়েছে তাঁর রচিত বেশকিছু উপন্যাস, একটি অপ্রকাশিত নাটক এবং গল্প ও কাহিনী।

লিঙ্ক




জগদীশ গুপ্ত রচনাবলী, দ্বিতীয় খন্ড


তাঁর রচনাবলীর দ্বিতীয় খন্ডে স্থান পেয়েছে ‘রতি ও বিরতি’, ‘রোমন্থন’ ইত্যাদি উপন্যাস ও গল্পগুচ্ছ।

লিঙ্ক




কবির নির্বাসন ও অন্যান্য ভাবনা, প্রাবন্ধিকঃ শিবনারায়ণ রায়


গত শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, দার্শনিক ও সাহিত্য সমালোচক শিব নারায়ণ রায় বর্তমান গ্রন্থে ‘কবির নির্বাসন’, ‘আধুনিক কবিতায় ব্যঞ্জনা’ বা ‘বাঙালি শিক্ষিত হিন্দু ও আধুনিকতা’ ইত্যাদি মননশীল প্রবন্ধের মাধ্যমে তাঁর অসামান্য পাণ্ডিত্যের পরিচয় দিয়েছেন।

পিডিএফ ফাইল




Men Without Women : Haruki Murakami


আর্নেস্ট হেমিংওয়ের এক গল্প সংকলনের নামে জাপানী লেখক হারুকি মুরাকামির এই গল্প সংকলনটির নামকরণ। সাতটি গল্প নিয়ে তৈরি এই গল্পসংগ্রহে মুরাকামির চিরাচরিত শ্লেষাত্মক হাস্যরস একইভাবে বর্তমান। গল্পগুলির প্রতিটিতেই কোন এক মানুষের কথা বলা হয়েছে যে তার একলা জীবন নিয়ে নিজেই এক বিচ্ছিন্ন দূরতর দ্বীপ হয়ে আছে।সে কোন না কোনভাবে হারিয়ে ফেলেছে তার মানুষীকে। প্রতিটি গল্পে তাঁর একান্ত নিজস্ব স্টাইল অন্য বইগুলির মত এই বইটিকেও একইভাবে আরো একটি ক্লাসিকে পরিণত করেছে।

পিডিএফ ফাইল




Living To Tell The Tale : Gabriel García Márquez


মূল স্প্যানীশ ভাষায় (“Vivir Para Contarla”) লেখা এই বইটির এডিথ গ্রসম্যানের করা ইংরেজি অনুবাদটিও বেশ সাবলীল। গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের তিনটি খন্ডে লেখা স্মৃতিকথার এটি প্রথম ভাগ। বইটি মূলত এক জার্নির কথা বলে। লেখাটি শুরু হয় এভাবে, “My mother asked me to go with her to sell the house.” কলম্বিয়ার ক্যারিবিয়ান উপকূলের আরাকাতাকাতে, তাঁর শৈশবের স্মৃতির শহরে, মায়ের সাথে ফেরার জার্নির কথাই এই স্মৃতিকথার মূল বিষয় হলেও তার সাথে সাথে সেখানে যুক্ত হয়েছে তাঁর মামাবাড়ির মানুষদের কথা,কখনো সেই আরাকাতাকার ধূসর স্মৃতি যেখান থেকে সে চলে এসেছে যখন সে মোটে আট বছরের বালক। আবার কখনো তাঁর লেখায় আমরা পাই কলম্বিয়ার নানাধরণের প্রচলিত বিশ্বাস, লোকগাথা যা এই স্মৃতিকথাকে আরো সমৃদ্ধ করে। এভাবেই দুদিনের ঐ জার্নির ক্যানভাসে অতীত ও বর্তমান দুই রঙ মিলেমিশে মার্কেজের মায়াবাস্তবের কলমে যে ছবি আঁকা হয়, তা স্থান কালের সীমারেখা অতিক্রম করে তাঁর স্মৃতিকথাকে এক নতুন মাত্রা দেয়।

পিডিএফ ফাইল




×

CONTACT

RAJARSHI CHATTOPADHYAY (EDITOR)

289, ASHOKEGAR

PURNIMA VILLA

1ST FLOOR

KOLKATA – 700108

Copyright © 2019 www.nayadashak.co.in
A Literary Venture of Naya Dashak (S/SC NO.26851 of 2014-2015)